রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বাইশারীতে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান অনুসারীদের হামলার অভিযোগ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ১৮জনের মনোনয়ন সংগ্রহ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব’র নির্বাচন : জেলাজুড়ে জল্পনা-কল্পনা উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে যারা ক্যাম্পে কথিত আরসা সদস্যকে গুলি করে হত্যা বৈশ্বিক তহবিল ঘাটতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সমন্বিত পরিকল্পনা অতীব জরুরী উখিয়ার পূর্বরত্না থেকে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ১৮ রোহিঙ্গা আটক প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ফুয়াদ আল-খতীব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য উখিয়া কলেজের গভর্ণিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন: অধ্যাপক তহিদ ও শাহআলম নির্বাচিত রোহিঙ্গা হেড মাঝি খুনের ঘটনায় ৩জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএন-৮

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জন্ম নিচ্ছে নতুন নতুন সন্ত্রাসী

টেকনাফ প্রতিনিধি: / ২৬৫ বার
আপডেট শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:০০ অপরাহ্ন
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফাইল ছবি

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে নতুন পুরনো মিলে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে। সেখানে রোহিঙ্গাদের একটি অংশ আগে থেকেই নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে। এসব ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় তৎপর রয়েছে। তবে সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ওপর। দায়িত্ব নেয়ার পর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পুরনো অপরাধীদের পাশাপাশি জন্ম নিচ্ছে নতুন ডাকাত দল ও সন্ত্রাসী বাহিনী।

গত কয়েক বছর ধরে টেকনাফের নয়াপাড়া, জাদিমুরা, শালবাগান ও লেদা রোহিঙ্গা শিবির ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে আলোচিত নাম ডাকাত জকির, ডাকাত আবদুল হাকিম, ডাকাত নুরুল আলমসহ বেশ কিছু অপরাধী। এদের মধ্যে আনসার ক্যাম্প লুটের হোতা নুরুল আলম র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। টেকনাফের যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যার পর আলোচনায় আসে ডাকাত জকিরের নাম। এছাড়া, টেকনাফের আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম হত্যার পর ডাকাত আবদুল হাকিম এক আতংকের নাম। তবে ডাকাত জকির ও আবদুল হাকিম এখনও অধরা।

এসব সন্ত্রাসীর হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। রোহিঙ্গা শিবিরের পাশের পাহাড়গুলোতে রয়েছে এদের আস্তানা। সন্ধ্যা নামলেই তারা পাহাড় থেকে নেমে এসে ক্যাম্পগুলোতে চালায় ত্রাসের রাজত্ব। শোনা যায় মুহুর্মুহু গুলির শব্দ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে গেলেই তারা পাহাড়ে আত্মগোপন করে। উখিয়া টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে রয়েছে তাদের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ। ডাকাত জকিরকে গ্রেফতার করতে হেলিকপ্টার ও ড্রোন নিয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন র‌্যাব বেশ কয়েক দফা অভিযান চালালেও জকির অথবা হাকিম কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আবার এসব সন্ত্রাসী বাহিনীর কোনো সদস্যকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক করলেও অদৃশ্য ক্ষমতার বলে অল্প দিনেই তারা আইনের ফাঁক ফোকর গলে বেরিয়ে যায়।

সম্প্রতি টেকনাফের নয়াপাড়া-শালবাগান-লেদা ও জাদিমুড়া শিবিরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে আরও বেশ কয়েকটি উঠতি সন্ত্রাসী বাহিনী। এদের মধ্যে নয়াপাড়া শিবিরকেন্দ্রিক সালমান শাহ বাহিনী ইতোমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে রোহিঙ্গা শিবিরে ও এর আশপাশের এলাকায়।

১৬ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. হেমায়তুল ইসলাম বলেন, প্রায় প্রতিদিনই ক্যাম্পগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: