বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

করোনায় আঘাত হেনেছে ইনানীসহ পর্যটন স্পটগুলোতে

এম ফেরদৌস (উখিয়া কক্সবাজার) / ৩৩০ বার
আপডেট বুধবার, ২৭ মে, ২০২০, ৭:২৬ পূর্বাহ্ন

মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন পর্যটককেন্দ্রে। পর্যটন মৌসুমে প্রচুর পর্যটক এলেও এবার উল্টো চিত্র। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস শনাক্তের পর পরই কমে গেছে পর্যকের আগমন। পর্যটকরা অগ্রিম বুকিং বাতিল করে দিয়েছে। এতে লোকসান গুনছে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। ইনানী,হিমছড়ি,মেরিনড্রাইব রোড,কক্সবাজারের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে শুন্য বিরাজ করছে। হুটেল ব্যবসায়ীসহ পর্যটকবাহী যানবাহন মালিকগনও অনেক ক্ষতির সম্মুখীন বলে দাবি করেন।

পর্যটন মৌসুমে প্রতিবছরই ব্যাপক পর্যটকের সমাগম হয়। তবে এভাবে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই খাতে। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত কক্সবাজার প্রচুর পর্যটক সমাগম হলে এখন প্রায় পর্যটকশূন্য। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ির ঝর্ণা, ইনানী সি বিচ, পাটাওয়ারটেক পাথরীয়া বিচসহ বিভিন্ন দর্শনীয় কেন্দ্রগুলোতে এখন সুনসান নিরবতা।

করোনায় কক্সবাজার পর্যটক ভ্রমণে কম আসায় লোকসান গুনছে পরিবহন শ্রমিকরা। কক্সবাজার পর্যটকবাহী যান চালক মোঃ ইউসুপ বলেন, করোনার কারণে পর্যটক কমে গেছে। প্রতিদিন কমপক্ষে এ সময়টা কলাতলী হতে মেরিন ড্রাইব রোড় হয়ে অনেক যাত্রী আসা নেওয়া করতাম। পরিবার পরিজন নিয়ে খুব শান্তিতে জীবন কাটাতাম এখন পর্যটক নিষিদ্ধ করায় কোনো আয় নেই।

মেরিন ড্রাইব রোড়ে পর্যটকবাহী যান চালক আকতার হোসেন বলেন, প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে কক্সবাজার ইনানী প্রচুর পর্যটক এলেও এবার করোনায় মেরিন ড্রাইব হতে ইনানী পাটুওয়ারটেক কোনো পর্যটক আসেনি।

ফলে সংশ্লিষ্ট পর্যটন এলাকার গাড়ি চালক, ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র দোকানদার এবং ক্যামরাম্যানদের জীবন জীবিকা অনেকাংশেই স্তিমিত হয়ে পড়েছে বৃদ্ধি পেয়েছে বেকারত্ব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: