বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
‘বিডি দর্পণ’ সম্পাদক রফিক মাহমুদ এর পিতা ‘সুলতান আহমদে’র ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী আজ শিক্ষার্থীদের মেধা মননের উন্নয়নে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ভূমিকা রাখবে-হেলাল উদ্দিন মেম্বার উখিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৬টি পশু খাদ্যের দোকানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা রক্ষার লড়াইয়ে সাংবাদিকদের লিখনি অব্যাহত রাখতে হবে একটি জাতি-গোষ্টির জন্য নয়, সমস্ত প্রাণীর কল্যাণে সদ্ধর্ম প্রচার করেছেন “বুদ্ধ” ক্যাম্পে ইয়াবা ও মাদকসহ নানান অপরাধে জড়িত অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা উখিয়ায় শাশুড়িকে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে হত্যার চেষ্টা! ডা. মুরাদের মাথার ওপর ভেঙে পড়ল সিলিং ফ্যান কক্সবাজার সৈকত এলাকা থেকে ৪৪৩ রোহিঙ্গা আটক কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনুমোদনহীন ‘কক্স টিভি’তে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

ডেস্ক নিউজ:: / ১৩৫ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২, ৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল কক্স টিভিতে গত ৩ ও ৫ জানুয়ারী ২০২২ এ কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদে ব্রিটিশ আমল হতে ঐতিহ্যবাহী পরিবার পন্ডিত এর বংশধর ডক্টর মীর কাসেম চৌধুরীর ছেলে মোঃ ইউসুফ কাসেম এবং স্ত্রীর খুরশিদা বেগমের জমি জবর দখল ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে উক্ত ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সম্মানীত ব্যক্তিবর্গ যথা (১) ড. মীর কাসেম (বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী) (২) আবুল কাসেম (অবঃ) পিটিআই এর সুপারিন্টেডেন্ট (৩) বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দীর্ঘ দিনের রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হারুর অর রশীদ (৪) ডা. মাহমুদ রশিদ এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) মেডিকেল অফিসার (অবঃ) রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (৫) ইউসুফ কাসেম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমেরিকা প্রবাসী (৬) খুরশিদা কাসেম সহ পরিবারের বিরুদ্ধে প্রচারিত কুৎসামূলক, মিথ্যা অপবাদ ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে গোচরীভূত হওয়ায় সাধারণ জনগণ, সুশীল সমাজ, স্বজ্জন ব্যক্তিবর্গ ও তাদের পরিবারবর্গ গভীরভাবে মর্মাহত ও ব্যথিত হয়েছেন। তাই উক্ত কুৎসা মূলক অপবাদ ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। সাথে সাথে যে সকল সাধারণ জনগণ উক্ত অপপ্রচারকারী চক্রকে নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন, তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রচারিত ভিডিও ফুটেজের অপপ্রচারে দর্শক ও সাধারণ জনগণ যেন বিভ্রান্ত না হয়, সেজন্য সকলের অবগতির জন্য প্রকৃত ঘটনাটি উপস্থাপন করছি।

বাস্তব ঘটনা হচ্ছে, আমাদের নানা আজিম উল্লাহ মিয়াজীর মৃত্যুর পর তাহার ৩ কন্যা আজো মেহের (আমাদের মাতা), গোল মেহের (আমাদের খালা) ও কালা বিবি (আমাদের খালা) ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হন। রত্নাপালং মৌজার বি.এস. ৫২৯ নং খতিয়ানের বি.এস. ১৪০৬৮ দাগে জমির প্রকৃত মালিক কালা বিবির নিকট হতে ১ নম্বর প্রতিবাদকারীর স্ত্রী খুরশিদা বেগম গত ০৬/০৯/১৯৭৭ ইং তারিখে ১৯৯৮ নং রেজিঃ কবলামূলে ০.৪০ শতক জমি এবং ছেলে মোঃ ইউসুফ কাসেম গত ০২/০৪/১৯৯৮ইং তারিখে ৪২২ নং রেজিঃ কবলামূলে ০.৬০ শতক জমি খরিদ করে শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে নিয়ত থাকাবস্থায় তাদের নামে সৃজিত বি.এস. ৬১৬৯ ও ৫০০৭ নং সৃজন করিয়া চুড়ান্ত ও শুদ্ধরূপে লিপিবদ্ধ ও প্রচারিত হয় এবং সরকারী খাজনাদি পরিশোধক্রমে ভোগ দখলকার ছিলেন ও আছেন। সামাজিক অবক্ষয় ও দূর্বৃত্তায়নের কারণে হঠাৎ করে ভূমিদস্যু আয়াজ, ইলিয়াছ ও ইউনুস তাদের ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে গত ২৪/১২/২০২১ ইং তারিখে রাতের আধারে উক্ত জমিতে ঘেরা-বেড়া ভেঙ্গে জোরপূর্বক জবর দখলের চেষ্টা চালায়। এ বিষয়ে গত ২৮/১২/২০২১ইং তারিখ উখিয়া থানায় একখানা এজাহার দায়ের করা হলে গত ০২/০১২০২২ ইং তারিখ তদন্তকারী কর্মকতার্ পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ভূমিদস্যু আয়াজ বাহিনী আমাদের জমি জবর দখলের চেষ্টা করলে গত ০৮/০৭/২০১৯ইং তারিখ বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, কক্সবাজারে এম.আর. মামলা নং- ৭২৬/২০১৯ ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪ ধারা দায়ের করি। বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত কক্সবাজার এর আদেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) উখিয়া সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে “নালিশী বি.এস. ১৪০৬৮ নম্বর দাগের আন্দর ১.০০০০ একর জমিতে চাষাবাদ করে ১মপক্ষ খরিদের পর হতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ-দখলে রয়েছেন মর্মে উপস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ হতে জিজ্ঞাসা করে জানা যায়। ১মপক্ষের স্বত্ব দখলীয় জমিতে ২য়পক্ষগণ অনুপ্রবেশের অপ-চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন বলে জানা যায়। এতে দখল নিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশংকা রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। মামলায় উল্লেখিত চৌহদ্দির সাথে নালিশী জমির চৌহদ্দির মিল আছে।” উল্লেখে প্রতিবেদন প্রদান করেন। যার স্মারক নং- ৩১.৪২.২২২৪.০০০.৭৮.০০১.১৯.১১১ তারিখ ০৩/০৩/২০২০ ইং।
এরপরও উক্ত আয়াজ বাহিনী থেমে নেই, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। তাদের অপকর্মকে আড়াল করার জন্য সাজানো নাটক বানিয়ে আমাদের সমগ্রজাতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারই অংশ হিসেবে উক্ত ভিডিও ফুটেজে রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব খায়রুল আলম গং কর্তৃক দূরভিসন্ধিমূলকভাবে উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান ও প্রচার করা হয়। আশা করি, সকলের কাছে সত্য ঘটনাটি উন্মোচিত হয়েছে এবং কেহ অপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রস্তুতি চলিতেছে।

প্রতিবাদকারীঃ
১. ডক্টর এম.এম. কাশেম (পি.এইচ.ডি), সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতার্, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, সাবেক বিভাগীয় প্রধান পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, প্রধান পরীক্ষক পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সদস্য আন্তজার্তিক আনবিক শক্তি কমিশন ভিয়েনা অস্ট্রিয়া, লাইফ মেম্বার দি-নিউইয়র্ক একাডেমি অব সাইন্স নিউইয়র্ক আমেরিকা।
২. মোহাম্মদ আবুল কাশেম, বি.সি.এস (শিক্ষা) সাবেক সুপারেনটেন্ড, পিটিআই, কক্সবাজার।
৩. মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ, সমাজসেবক ও সাবেক মেম্বার/সদস্য রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উখিয়া কক্সবাজার।
৪. ডাক্তার মোহাম্মদ রশীদ, এম.বি.বি.এস (BCS), ফেলোশিপ (WHO) সাবেক মেডিকেল অফিসার, রামু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রামু কক্সবাজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: