রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নরমাল ডেলিভারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়, জেনারেল হাসপাতালকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা দুই রোহিঙ্গা মাঝি হত্যায় জড়িত ৩জনকে আটক করেছে এপিবিএন-৮ উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই মাঝি নিহত রামু সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভলিবল প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশ সুপার জেরিন আখতারের সাথে সুশীল সমাজের মতবিনিময়  উখিয়ায় ডেঙ্গু মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম “স্টপ ডেঙ্গু” উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় ডেইরী খামারিদের মাঝে ভিটামিন ও কৃমির ঔষধ বিতরণ উখিয়ায় আবাসিক হোটেল থেকে রোহিঙ্গা তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রামুর পেঁচারদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী নির্যাতন : দেড় মাসেও হয়নি সুরাহা!

অগ্নিকান্ডে গৃহহারা রোহিঙ্গাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে

শফিক আজাদ:: / ১৭৩ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২, ১:১২ পূর্বাহ্ন

ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে উখিয়ার শফিউল্লাহকাটা ১৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-১ ব্লক সম্পুর্ন ভস্মীভূত হয়। এতে গৃহহারা ৬ শ রোহিঙ্গা পরিবার অবশেষে ৪৮ঘন্টায় মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে। ফলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্থ রোহিঙ্গাদের।

সরজমিন বুধবার ক্ষতিগ্রস্থ রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অগ্নিকান্ডে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গারা পুনরায় ক্যাম্পে ফিরতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা তাদের জরুরী খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম বড় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জরুরী জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করছে। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আইওএম ৪৯০ টি পরিবারকে জরুরী নন-খাদ্য আইটেম প্যাকেজ প্রদান করেছে। প্যাকেজের মধ্যে কম্বল, ফ্লোর ম্যাট, মশারি এবং একটি সোলার লাইট রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোও অস্থায়ী আশ্রয় সহায়তা পেয়েছে।

এছাড়াও আইওএম অন্যান্য মানবিক সংস্থার সাথে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ১৫০টিরও বেশি জরুরি তাবু তৈরি করেছে। উপরন্তু, ১৯০টিরও বেশি অস্থায়ী আশ্রয় সহায়তা কিট-টারপলিন, বাঁশ এবং দড়ি প্রদান করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের। ক্ষতিগ্রস্থ রোহিঙ্গারা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না আসা পর্যন্ত এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে,” বলেছেন আইওএম-এর ডেপুটি চিফ অফ মিশন (জরুরি) নিহান এরদোগান।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, দেশি-বিদেশী এনজিও সংস্থা রোহিঙ্গাদের খাদ্য, চিকিৎসা, ঘর থেকে শুরু করে সার্বিক সহায়তা দিয়ে গেলেও স্থানীয়দের কোন সহযোগিতা তারা করতেছেনা। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ১৪ স্থানীয় পরিবারকে ৭৫০০টাকা করে মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃংখলার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ এপিবিএন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন বলেন, গত ৯জানুয়ারী সংঘঠিত অগ্নিকান্ডে রোহিঙ্গাদের আনুমানিক ৪০কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় তাৎক্ষণিক ভাবে ৭হাজার ৫শ টাকা করে মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের ঘর নির্মাণের জন্য টিন, কাঠ বরাদ্দের ব্যাপারে এনজিও সংস্থা গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: