মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উখিয়ার ক্যাম্প থেকে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা গ্রেফতার নুরুল হুদা গ্রেপ্তার বাইশারীতে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান অনুসারীদের হামলার অভিযোগ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ১৮জনের মনোনয়ন সংগ্রহ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব’র নির্বাচন : জেলাজুড়ে জল্পনা-কল্পনা উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে যারা ক্যাম্পে কথিত আরসা সদস্যকে গুলি করে হত্যা বৈশ্বিক তহবিল ঘাটতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সমন্বিত পরিকল্পনা অতীব জরুরী উখিয়ার পূর্বরত্না থেকে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ১৮ রোহিঙ্গা আটক প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ফুয়াদ আল-খতীব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

৫ হাজারে ‘করোনা নেগেটিভ-পজিটিভ’ সনদ বিক্রি করেন তাঁরা

প্রথমআলো: / ২৯১ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০, ৫:০৪ পূর্বাহ্ন

বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ভুয়া ‘করোনা নেগেটিভ-পজিটিভ’ সনদ বিক্রির দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার সকালে উত্তর মুগদা এলাকা থেকে র‌্যাব-৩-এর একটি দল অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ফজল হক, মো. শরিফ হোসেন, মো. জামশেদ ও মো লিয়াকত আলী।

র‌্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাইজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দেড় শ-জনের জন্য সনদ তৈরি করেছিলেন। তাঁরা এক-একটি সনদ পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি করছিলেন।

চক্রটি মুগদা হাসপাতাল থেকে দেওয়া করোনা রোগীর পজিটিভ ও নেগেটিভ রিপোর্টের কপি সংগ্রহ করে তা স্ক্যান করে সেখানে নাম বসিয়ে বিক্রি করছে। মূলত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা এই সনদ সংগ্রহ করছিলেন।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে র‌্যাব জানতে পেরেছে, করোনায় আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও চাকরি চলে যাবে, এই আশঙ্কা থেকে অনেকে নেগেটিভ রিপোর্ট সংগ্রহ করছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্ট পেতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে অন্য পথে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন কেউ কেউ। বিদেশে যাওয়ার জন্যও অনেকে এই চক্রটির কাছ থেকে নেগেটিভ রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। কেউ কেউ পজিটিভ রিপোর্টও নিয়েছেন। এতে ছুটির সুযোগ পেয়েছেন কেউ কেউ, আবার কেউ কেউ ক্ষতিপূরণের আশায়ও নিয়েছেন।

তবে ঠিক কে কে এই রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন, সে সম্পর্কে র‌্যাব নিশ্চিত হতে পারেনি। র‌্যাব বলছে, বাংলাদেশে করোনা পজিটিভ বা নেগেটিভ কি না, সেই প্রতিবেদনে শুধু নাম ও বয়সের উল্লেখ থাকছে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বর থাকে না। ফলে ভুয়া সনদের ক্রেতা কারা, তা জানা যাচ্ছে না।

র‌্যাবের আশঙ্কা, যেসব চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাস পরীক্ষা হচ্ছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আশপাশে এ ধরনের চক্র সক্রিয় আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: