মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উখিয়ার ক্যাম্প থেকে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা গ্রেফতার নুরুল হুদা গ্রেপ্তার বাইশারীতে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান অনুসারীদের হামলার অভিযোগ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ১৮জনের মনোনয়ন সংগ্রহ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব’র নির্বাচন : জেলাজুড়ে জল্পনা-কল্পনা উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে যারা ক্যাম্পে কথিত আরসা সদস্যকে গুলি করে হত্যা বৈশ্বিক তহবিল ঘাটতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সমন্বিত পরিকল্পনা অতীব জরুরী উখিয়ার পূর্বরত্না থেকে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ১৮ রোহিঙ্গা আটক প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ফুয়াদ আল-খতীব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

উখিয়া-টেকনাফের যে কেউ বাবা দাবি করলে মেনে নেবেন বদি!

ডেস্ক নিউজ:: / ৬৬৩ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ৪:২৫ পূর্বাহ্ন

উখিয়া-টেকনাফের যে কোনো ছেলে-মেয়ে আদালতে গিয়ে বাবা দাবি করলে তাদেরকে ছেলে-মেয়ে হিসেবে মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি।

বদিকে বাবা দাবি করে সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে মো. ইসহাক (২৬) নামের এক যুবকের আদালতে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন বদি।

সাবেক এ সাংসদকে পিতা দাবি করে আদালত যাওয়া যুবককে নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদ শেয়ার করেন ‘আওয়ামী লীগ নেতা ও সাংবাদিক’ রাসেল চৌধুরী। সেখানে কমেন্ট বক্সে গিয়ে বদি লিখেছেন, উখিয়া-টেকনাফের যে ছেলে-মেয়ে আদালতে গিয়ে বদির ছেলে-মেয়ে বলে দাবি করবে সবাইকে মেনে নেয়া হবে।

এর আগে রোববার (১৩ ডিসেম্বর) বদিকে পিতা দাবি করে আদালতের দ্বারস্ত হন ইসহাক নামের এক যুবক। পাশাপাশি পিতৃপরিচয় নির্ধারণের জন্য ডিএনএ টেস্ট করার আবেদনও করেন ইসহাক।

রোববার ইসহাকের করা আবেদনটি আমলে নিয়ে বদির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে আদালত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বাদী পক্ষের আইনজীবী নাজিম উদ্দীন। তিনি জানান, অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত বদিসহ অভিযুক্ত সাতজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে।

এদিকে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবেক এমপি বদির সাথে আদালতে যাওয়া ছেলে দাবিদার যুবক ইসহাকের চেহারার সাথে মিল আছে দাবি করে তাকে স্বীকৃতি দিতে বদির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

আদালতে দেয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯২ সালে ৫ এপ্রিল তার মা (ইসহাকের) সুফিয়া খাতুনকে কালেমা পড়ে বিয়ে করেন আবদুর রহমান বদি। তখন বিয়ে পড়ান আবদুর রহমান বদির পারিবারিক আবাসিক হোটেল নিরিবিলিতে কর্মরত মৌলভী আবদু সালাম। বিয়ের স্বাক্ষী ছিলেন হোটেলের দারোয়ান এখলাছ।

মো. ইসহাক একুশে পত্রিকাকে বলেন, ছোটবেলা থেকে মায়ের কাছে শুনে আসছি আমার পিতা আবদুর রহমান বদি। কিন্তু কখনো আমি পিতার স্নেহ ভালোবাসার স্বাদ পাইনি।

ইসহাক দাবি করেন, পিতার স্বীকৃতির দাবিতে মায়ের হাত ধরে অসংখ্যবার পিতার কাছে যান। কিন্তু আবদুর রহমান বদি তার রাজনৈতিক শত্রু ও সামাজিক অবস্থানসহ নানা সমীকরণ দেখিয়ে তাকে এবং তার মাকে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। মা-ও স্বামীর (আবদুর রহমান বদি) কথার অবাধ্য হননি। তাই তার মা সুফিয়া খাতুন এতোদিন চুপ ছিলেন। দীর্ঘ বছর ধরে তারা মা-ছেলে মাওলানা আবদু ছালামের কাছে আশ্রিত আছেন। অভাব অনটনে চলছে জীবন সংসার। তবু নিষ্ঠুর পিতা আবদুর রহমান বদির মন গলছে না।

ইসহাকের দাবি, বিষয়টি নিয়ে মা-ছেলে আবদুর রহমান বদির ছোটবোন শামসুন নাহারের সাথে যোগাযোগ করেন। তারা ঘরোয়াভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। আবদুর রহমান বদি কৌশলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

ইসহাক জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দুদকের মামলায় হাজিরা দিয়ে টেকনাফে সংবর্ধনা গ্রহণকালে তার পিতা বদি ছেলে শাওন আর মেয়ে ছাড়া আর কোনো ছেলে মেয়ে নাই দাবি করে বক্তব্য রাখেন। এর পরে সিদ্ধান্ত নেন তিনি আর চুপ থাকবেন না। তাই তিনি আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরেও অভিযোগ করেছেন।

সুত্র: একুশে পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: