মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বাইশারীতে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান অনুসারীদের হামলার অভিযোগ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ১৮জনের মনোনয়ন সংগ্রহ উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব’র নির্বাচন : জেলাজুড়ে জল্পনা-কল্পনা উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে যারা ক্যাম্পে কথিত আরসা সদস্যকে গুলি করে হত্যা বৈশ্বিক তহবিল ঘাটতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সমন্বিত পরিকল্পনা অতীব জরুরী উখিয়ার পূর্বরত্না থেকে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ১৮ রোহিঙ্গা আটক প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ফুয়াদ আল-খতীব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য উখিয়া কলেজের গভর্ণিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন: অধ্যাপক তহিদ ও শাহআলম নির্বাচিত রোহিঙ্গা হেড মাঝি খুনের ঘটনায় ৩জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএন-৮

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ:: / ২৭৬ বার
আপডেট শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ৪:৩১ অপরাহ্ন

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতনের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করার ‘বিচক্ষণ ও দৃঢ়’ পদক্ষেপ নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

শুক্রবার ভাসানচরে সফলভাবে রোহিঙ্গাদের প্রথম ব্যাচ স্থানান্তরের পর মন্ত্রী যুগান্তরকে বলেন, বিশ্ব নেতৃত্ব ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলো মিয়ানমারের নিপীড়িত জনগণের জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নিলেও তারা বারবার বিবৃতি দিচ্ছে। তারা শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়ে যাচ্ছে। তাদের (রোহিঙ্গা) স্থানান্তর বা তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে কেউই এগিয়ে আসেনি।

তিনি বলেন, কুতুপালংয়ের উপচেপড়া জনাকীর্ণ পার্বত্য অঞ্চলে ভূমি ধস এবং অন্যান্য অপ্রীতিকর ঘটনার ফলে মৃত্যু ও দুর্ঘটনা এড়াতে এবং আরও উন্নত জীবনমানের ব্যবস্থা করতে পর্যায়ক্রমে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করা হচ্ছে। তাছাড়া সেখানে (কুতুপালং) মাদক ব্যবসার প্রসার এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিও ঘটছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা রোহিঙ্গা শিবির বা ভাসানচরের সুবিধা নিয়ে উচ্চস্বরে কথা বলছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে মিয়ানমারের কাছে যাওয়ার সাহস বা আন্তরিকতা কারও নেই।

তিনি বলেন, গত তিন বছরে মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘন সত্ত্বেও দেশটিতে ইউরোপিয়ান, আসিয়ান, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বহুগুণ বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কোনোটিই মিয়ানমারে প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করছে না, ঠিক যেমনটি করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদীদের ক্ষেত্রে।বাস্তবতা হল- রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমার তৈরি করেছে এবং তারাই কেবল এর সমাধান করতে পারে বলে উল্লেখ করেন ড. মোমেন।

যত দ্রুত সম্ভব এই সংকট সমাধানের জন্য অর্থবহ উপায়ে মিয়ানমারের কাছে যাওয়ার জন্য নিজেদেরকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে বিশ্বের সমস্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার ক্যাম্পগুলোতে নানান ঝুঁকি এড়াতে সরকার পর্যায়ক্রমে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার প্রথম পর্যায়ে স্বেচ্ছায় যেতে আগ্রহী এমন নারী-পুরুষ-শিশু মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: