শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আটক-২ ক্যাম্প থেকে এক বছরে ৪৭৮জন সন্ত্রাসী আটক ও ১৩২টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে ৮এপিবিএন উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম ও সেবা সংক্রান্ত ‘গণশুনানি’ উখিয়ায় অনুষ্ঠিত অগ্নিকান্ডে গৃহহারা রোহিঙ্গাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে উখিয়ার শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন ‘রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে তুরস্ক’ নাইক্ষ্যংছড়ির গহীন অরণ্য থেকে ৪ সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ আটক  উখিয়ায় ৪৩ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০২১ সম্পন্ন উখিয়ার হলদিয়া পালংয়ের মৌলভীপাড়ায় আজ তাফসীর মাহফিল

সীমান্তে ইয়াবা পাচার নিয়ন্ত্রণে ৪জন শীর্ষ রোহিঙ্গা নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৭১ বার
আপডেট শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৩৪ অপরাহ্ন

উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বেড়েছে ইয়াবা ও স্বর্ণ পাচার। বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, এপিবিএন সহ সকল আইনশৃংখলা বাহিনী শত চেষ্টা করেও তা বন্ধ করতে পারছেনা। কৌশলে ক্যাম্প-৮ ইয়েস্ট
৪ শীর্ষ ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সীমান্ত দিয়ে এসব ইয়াবা ও স্বর্ণ ঢুকে পড়ছে ক্যাম্পে।

সরজমিন বালুখালী সীমান্ত এলাকা ঘুরে বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প ৮ ইয়েস্ট সাথে মিয়ানমার সীমান্তের দুরত্ব মাত্র আধা কিলোমিটার। তাই ওপার থেকে পায়ে হেটে ১০ মিনিটের মধ্যে সীমান্তের কাটাতার অতিক্রম করে ক্যাম্পে ঢুকা যায়৷ আর ক্যাম্প ৮ ইয়েস্ট যারা আশ্রিত রোহিঙ্গা রয়েছেন, তাদের অধিকাংশই বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। এই ক্যাম্পে অবস্থান করছেন আরসার শীর্ষ নেতা আতাউল্লাহর সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু আনাচ (৩৫) প্রকাশ ফয়েজুল করিব। মিয়ানমারে তার রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, সেই সুবাধে ঢেকিবনিয়ার এলাকার শীর্ষ ইয়াবা ও স্বর্ণ পাচারকারী সিন্ডিকেটের প্রধান টুনটুন মার্মা, লামং মার্মা এবং মমংশুয়ে মার্মা’র মাধ্যমে জলপাইতলী এবং পুটিবনিয়া দিয়ে বালুখালী এলাকার জাহাঙ্গীর আলম এসব ইয়াবা চালান গুলো বালুখালী ক্যাম্প-৮ ইয়েস্টের, ৩২ নং বি-ব্লকের বাসিন্দা মোঃ ছিদ্দিকের ছেলে হেড মাঝি মোঃ শফি উল্লাহ (৩০), একই ক্যাম্পের করিম উল্লাহর ছেলে মাঝি আনোয়ার ইসলাম (৩৬), মাঝি সোনা আলী (৪৫) নিয়ে এসে মজুদ করে রাখেন। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে থাকে।

ক্যাম্পে অবস্থান করে কিভাবে এসব ইয়াবা কারবার নিয়ন্ত্রণে করে থাকে রোহিঙ্গারা এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক রোহিঙ্গা নেতা জানান, ক্যাম্প ৮ ইয়েস্টের সাধারণ রোহিঙ্গারা তাদের হাতে জিম্মি। কারণ তারা একদিকে ইয়াবা ও স্বর্ণ চোরাচালানের মূল হোতা, অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প লিডার। তাই এদের বিরুদ্ধে কেউ সহজে মূল খুলতে সাহস পায়না।

আরেক রোহিঙ্গা বলেন, শীর্ষ আরসার নেতা আতাউল্লাহ সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত আবু আনাচ প্রকাশ ফয়েজুল ইসলাম ক্যাম্প ৮ ইয়েস্টে গোপনে বসবাস করে আসছে। তার মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার কোটি টাকার ইয়াবা ঢুকে পড়ছে ক্যাম্পে। যেখান থেকে গুটিকয়েক ইয়াবা ধরা পড়লেও বৃহত্তর চালান গুলো চলে যাচ্ছে নিরাপদ স্থানে।

ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলায় নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত ৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার পর অন্তত একশো বারের উপরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে আবু আনাচ প্রকাশ ফয়েজুল করিমকে গ্রেফতার করার জন্য, কিন্তু গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এখনো তার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে, কারণ সে সীমান্তের ইয়াবা পাচারের মূল হোতা। তিনি আরো বলেন, হেড মাঝি শফিকসহ বাকী যাদের নাম উঠে এসেছে তাদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: