বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য গফুর চেয়ারম্যানের চেক হস্তান্তর ১৫ দিন পর ৯ জেলেকে হস্তান্তর করল বিজিপি ৯ জেলেকে ফেরত দিতে মিয়ানমারের পতাকা বৈঠক চলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে লটারির মাধ্যমে ভর্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ’লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা কক্সবাজার খুরুশকুলে নির্মাণ হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আরো ১১৯টি ভবন কক্সবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল হুদা , সহ-সভাপতি কাইয়ুম , সম্পাদক কাসেম সেবা নিতে হয়রানির শিকার হলে সরাসরি আমাকে জানাবেন : এসপি হাসানুজ্জামান উখিয়াতে ঝুকিপূর্ণ বাজার ব্যবস্থাপনাঃদেখা নেই অগ্নিনিবার্পক যন্ত্র

সমুদ্রের ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কক্সবাজার সৈকতের সৌন্দর্য

ইসলাম মাহামুদ :: / ১০৯ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ অপরাহ্ন

সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে অব্যাহত ভাঙনের ফলে প্রতিনিয়ত বিলীন হচ্ছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার সৈকতের সৌন্দর্য। চলতি বর্ষা মৌসুমের অস্বাভাবিক জোয়ারে তান্ডবে ভাঙন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। আর ঢেউয়ের ঝাঁপটায় ক্ষয়ে যাচ্ছে বালু। ইতোমধ্যে অস্বাভাবিক জোয়ার ও ঢেউয়ের তান্ডবে গাছপালাসহ বেশকিছু স্থাপনা বিলিন হয়ে গেছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সৈকতের শুন্য পয়েন্টে থাকা পাবলিক ওয়াস রুম।

এদিকে জোয়ারের পানিতে সৈকত তলিয়ে থাকায় পর্যটকদের বাধ্য হয়ে রাস্তায় কিংবা একটু উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি উপভোগ করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝাঁপটা ও অব্যাহত বালুক্ষয়ে দীর্ঘ সৈকত জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য ঝাউগাছের মূল। প্রচণ্ড ঢেউয়ের ঝাঁপটায় গাছের মূল থেক বালু সরে যাওয়ায় গাছ উপড়ে পড়েছে।

জোয়ারের সময় সমুদ্রস্নানে মারাত্মক অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। এছাড়া সৈকতের সবুজ বেষ্টনী, সাগর লতা, দোকান-পাটসহ ঝুঁকিতে রয়েছে।
জোয়ারের সময় সৈকতের বেলাভূমিতে এখন আর ওয়াকিং জোন থাকে না। বর্তমানে এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে গতকাল প্রবল জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত লাবণী পয়েন্টের ভাঙন পরিস্থিতি ও ভাঙন প্রতিরোধে জিওব্যাগ স্থাপনের কার্যক্রম পরিদর্শন ও দুর্ঘটনা এড়াতে ভাঙনের নিকটবর্তী বৈদ্যুতিক পোলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ সহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন।

সৈকতে আসা পর্যটক ইকরাম বলেন, জোয়ারের সময় সৈকত পানিতে তলিয়ে থাকে। এসময় রাস্তায় কিংবা একটু উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি উপভোগ করতে হয়।

এছাড়া সৈকতে পড়ে থাকা গাছে মুল কিংবা বিভিন্ন স্থাপনার ইট পথর গোসলের সময় মারাত্মক ঝূঁকি। এগুলো অপসারন করা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: