বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য গফুর চেয়ারম্যানের চেক হস্তান্তর ১৫ দিন পর ৯ জেলেকে হস্তান্তর করল বিজিপি ৯ জেলেকে ফেরত দিতে মিয়ানমারের পতাকা বৈঠক চলছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে লটারির মাধ্যমে ভর্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ’লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা কক্সবাজার খুরুশকুলে নির্মাণ হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আরো ১১৯টি ভবন কক্সবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল হুদা , সহ-সভাপতি কাইয়ুম , সম্পাদক কাসেম সেবা নিতে হয়রানির শিকার হলে সরাসরি আমাকে জানাবেন : এসপি হাসানুজ্জামান উখিয়াতে ঝুকিপূর্ণ বাজার ব্যবস্থাপনাঃদেখা নেই অগ্নিনিবার্পক যন্ত্র

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকাদারি যেন আলাদিনের চেরাগ!

শফিক আজাদ:: / ২৪৮ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী’র দোহাই দিয়ে যারা কয়েক বছরে একাধিক রাজপ্রাসাদ কিংবা কোটি-কোটি টাকার মালিক হয়েছে তারা নিশ্চয় মাদক কারবার অথবা নানা অনিয়মের সাথে জড়িত বলে মনে করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ। উখিয়া খবর ডটকমের অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

সুত্রমতে, ২০১৭সালের আগস্টের পর থেকে মিয়ানমার থেকে এদেশে পালিয়ে আসে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। উখিয়া-টেকনাফের বনভূমি দখল করে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে তারা। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুত্র ধরে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জরুরী ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয় সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। এরপর থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে। অপরদিকে গত ২/৩ বছর পূর্ব থেকে প্রশাসন ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পর গডফাদারেরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। মূলতঃ কালো টাকা সাদা করার জন্য ইয়াবা কারবারিরা ঠিকাদারী কাজে লোকসান দিয়ে কাজ ভাগিয়ে নিচ্ছে। ফলে প্রকৃত ঠিকাদারেরা পথে বসেছে। এমনও নজির আছে,উখিয়ার একাধিক ঠিকাদার লোকসানের মূখে পড়ে এলাকা থেকে আত্নগোপন করেছে।

উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া উখিয়া খবর ডটকম’কে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী করে যদি অল্প সময়ে এতো বেশি লাভ হয়ে থাকে, তাহলে সেখানেও নিশ্চয় পুকুরচুরি করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারি সংস্থা, দূর্নীতি দমন কমিশন, আয়কর বিভাগের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে তিনি মনে করেন।

উখিয়া সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক গফুর মিয়া চৌধুরী এক কমেন্টসে বলেন,
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী করলে অবৈধ টাকার বস্তা পাওয়া যায় নাকি? এখন সবাই ঠিকাদার সেঁজে। প্রকৃত ঠিকাদারেরা বলছেন, ইয়াবাকারবারীরা বড় বড় ঠিকাদার দাবী করেন। এক বছর ক্যাম্পে কাজ বা ব্যবসা করলে শত কোটি টাকার কিভাবে মালিক হওয়া যায়? মাছের চাষের প্রজেক্ট রাতারাতি ভরাট করে এবং প্রধান সড়কের পাশে চাষাবাদের জমি ভরা করে একের পর এক অট্রালিকা বহুলতল ভবন তৈরী কিভাবে করে? এক বছরে কিভাবে এতো কিছু করতে পারে একজন ইউপি সদস্য। এসব আইনশৃংখলা বাহিনী দেখে ও না দেখার ভান করে রয়েছে। এ ব্যাপারে আমিও ধারাবাহিক প্রতিবেদন করতে যাচ্ছি।

শফিউল্লাহ তুহিন নামের এক যুবক ফেসবুক কমেন্টসে লিখেছেন আইনশৃংখলাবাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ থেকে রেহাই পেতে ইয়াবা ব্যবসায়ী এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকাদার। এইভাবে আরো অনেকে বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

সচেতন মহলের মতে, উখিয়ার নব্য কোটিপতিরা সকলের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকাদার। তারা অল্প সময়ে ঠিকাদারী করে কিভাবে এতো টাকার মালিক হলো তা আইনশৃংখলাবাহিনীর খতিয়ে দেখা দরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: