সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :

বন আর পানি ছাড়া আমাকে কিছুই খেতে দেয়নি: সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৩৭ বার
আপডেট সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৮ অপরাহ্ন

আজকের সূর্যোদয়ের চট্টগ্রাম ব্যুরোর স্টাফ রির্পোটার ও সিটিনিউজ বিডি. কম এর নির্বাহী সম্পাদক গোলাম সরওয়ারকে কিভাবে অপহরণ করা হয়েছে তা চমেক হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় আজ সকালে জানিয়েছেন এ প্রতিবেদককে।

বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য নগরীর আলমাস সিনেমার হলের সামনে রাস্তায় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলাম, কিছুক্ষণ পর একটি উবার গাড়ি সামনে এসে দাঁড়ায়। গাড়িতে উঠে নতুন ব্রীজ যেতে বলি।

কিছুদুর যাওয়ার পর পথ থেকে এক যুবককে ড্রাইভার গাড়িতে তুলে নেয়। ৫ মিনিট পর সেই ব্যক্তি আমার চোখে পাউডার জাতীয় কিছু একটা লাগিয়ে দিয়ে আমার চোখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে।

এরপর প্রায় ৩/৪ ঘন্টা গাড়ি নিয়ে ঘুরে। কোথায় রেখেছে বুঝতে পানিনি। ধারণা করেছি কোন রেললাইনের ধারে নিয়ে গেছে। আমাকে শারিরীকভাবে খুব নির্যাতন করে।

এসময় তারা শুধু বলেছে ” আর লিখবে কিনা বল “। অপহরণকারীরা আমাকে বেশ কয়েকটি ট্যাবলেট খাওয়াই। দুইকানে কটন ঢুকিয়ে দিতো যাতে আমি তাদের কথা শুতে না পায়। আমার শরীর থেকে সেন্ডু গেঞ্জি আর জাঙ্গীয়া ছাড়া প্যান্ট, সার্ট খুলে ফেলে।

অপহরণের একদিন পর একটু হালকাভাবে শুনেছিলাম, তারা কাকে যেন স্যার সন্মোধন করে বলেছে, স্যার একে কি ফেলে দেবো নাকি রেখে দেবো। তখন ঐ প্রান্ত সম্ভবত বলেছিল ফেলার দরকার নেই, রেখে দাও। অপহরণের পর থেকে প্রতিদিন একটি বন ও এক গ্লাস পানি খেতে দিতো বলে জানান গোলাম সরওয়ার।

গতকাল আমাকে প্রায় তিন চার ঘন্টা একটি এ্যাম্বুলেন্সে রেখে তারপর রাস্তার পাশে ফেলে দেয়। তখনও জানতাম না আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। তিনজনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পর বুঝলাম কুমিরা।

গোলাম সারোয়ার বলেন, আমি জানি না কোন নিউজের জন্য তারা আমাকে অপহরণ করেছে। শুধু তারা বলতো আর নিউজ করবি কিনা বল। আমি সকল সাংবাদিক এবং প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার বর্তমানে চমেক হাসপাতালের ১৪ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: