শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা কারবারি নিহত ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে খুলতে পারে শিক্ষাঙ্গন দুদকের মামলায় কারাগারে টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ ভ্রমণে পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ভাসানচরে ঈদের আনন্দ, মেজবানের আয়োজন হাটহাজারীতে রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধার করলেন উপজেলা প্রশাসন বান্দরবানে প্রথম দফায় ৩৩৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হচ্ছে ইসলামাবাদে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত আহত-১ মুজিববর্ষে জমিসহ ঘর পাচ্ছেন ৮৬৫ গৃহহীন, শনিবার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর ভূমি অফিসের তহসিলদার জয়নাল দুদকের হাতে আটক

পাচারকারিদের ফেলে যাওয়া চার লক্ষ ২৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করলো বিজিবি

CBN / ৭০ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে পাচারকালে চার লক্ষ চব্বিশ হাজার ইয়াবা ইদ্ধার করেছে বিজিবি।

২ সেপ্টেম্বর রাতে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে, এতে জড়িত কাউকে আটক করতে পারে নি অভিযানকারিরা।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, দমদমিয়া বিওপির একটি বিশেষ টহলদল আইয়ুবের জোড়া বরাবর নাফ নদীতে তাদের নিয়মিত টহল পরিচালনা করছিল। রাত পৌনে ৮ টার দিকে কয়েকজন ইয়াবা পাচারকারীকে নৌকাযোগে কয়েকটি প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে আইয়ুবের জোড়া এলাকার বিআরএম-০৯ হতে আনুমানিক ৩০০ গজ পূর্ব দিক দিয়ে নাফ নদীর কিনারায় ভিড়তে দেখে চ্যালেঞ্জ করে টহল দল।
চোরাকারবারীরা দূর হতে টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ্য করতঃ কেওড়া জঙ্গলের আড় ব্যবহার করে নদীর কিনারায় বস্তাগুলো ফেলে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে লাফিয়ে নাফ নদীতে নেমে সাঁতরিয়ে শূন্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলে যায়।
পরবর্তীতে টহলদল পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া ৫টি প্লাষ্টিকের বস্তা উদ্ধার করে।
উদ্ধারকৃত বস্তাগুলোর ভিতর ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে, যার অনুমান মূল্য ১২ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা।
তিনি জানান, ইয়াবা পাচারকারীদের আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকা ও নদীর তীরসহ পার্শ্ববর্তী স্থানে পরবর্তী ০২ ঘন্টা যাবৎ অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন পাচারকারী/তাদের সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উক্ত স্থানে অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় ইয়াবা কারবারীদের সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি।
তবে তাদের সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের স্টোরে জমা রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক পরবর্তীতে তা উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: