মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন

ট্রাম্প সমর্থকদের ১৪ লাখ সদস্যের গ্রুপ মুছে দিল ফেসবুক

ডেস্ক নিউজ:: / ৫৩ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থকদের সহিংস বিক্ষোভের পোস্টগুলো নেতিবাচক হিসেবে নিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। ইতিমধ্যে সহিংস বিক্ষোভের ডাক দেয়া বেশ কিছু পোস্ট সরিয়ে ফেলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন নির্বাচনকে ঘিরে মিথ্যা তথ্নোর অভিযোগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের একটি গ্রুপের নাম ‘স্টপ দ্য স্টিল’। তারা বারবার ট্রাম্প হারলে বিক্ষোভ করবে বলে ফেসবুকে প্রচার করতে থাকলে শুক্রবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ গ্রুপটি মুছে দেয়। ওই গ্রুপটিতে ১৪ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি সদস্য ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি জানায়, ভুল তথ্য ও হিংসাত্মক বার্তা ছড়াচ্ছিল ট্রাম্প সমর্থকদের দ্রুত ক্রমবর্ধমান একটি গ্রুপ। ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ভোট চুরির ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে সংঘবদ্ধ বিক্ষোভের উসকানি দিচ্ছিল তারা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গোনাগুনির উত্তেজনা পরিস্থিতিতে এমন পদক্ষেপ নিল সামাজিক মাধ্যমটি।এদিকে মার্কিন নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে অভিযোগ করেছেন তাকে পাত্তা দিতে নারাজ আন্তর্জাতিক একটি পর্যবেক্ষক মিশন।

দ্য অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ বা ওএসসিই নামে সংস্থাটি বলেছে, ‘কভিড-১৯ এর কারণে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও নির্বাচনটি প্রতিযোগিতামূলক এবং ভালোভাবে পরিচালিত হয়েছে।’

এদিকে ট্রাম্পের বেপরোয়া তৎপরতায় রীতিমত বিপাকে পড়েছে ফেসবুক ও টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের পরদিন একের পর এক ভিত্তিহীন টুইট ও ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন ট্রাম্প। এসব সামাল দিতে প্রতিষ্ঠান দুটিকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

মার্কিন আইনপ্রণেতারা এ নিয়ে সমালোচনা করেছেন। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে—এমন কোনো পোস্ট নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক ও টুইটার।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কোনো পোস্ট সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে বলে আগে থেকেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনের বেশ আগে থেকেই এসব নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছিল।

ভার্জ নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ফেসবুক সবার। এটা সোশ্যাল মিডিয়া। আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম করা যাবে না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমকে কখনো আস্থায় রাখেননি। তিনি টুইটার ও ফেসবুকের মাধ্যমেই দিনভর সরব থেকেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ট্রাম্পের আগে কোনো প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এমন ব্যবহার করতেন না। প্রযুক্তিতে অগ্রসর হিসেবে পরিচিত সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও প্রেসিডেন্ট থাকাকালে এমন করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: