রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ধসে পড়লো জেলা পরিষদের পরিত্যক্ত রেস্ট হাউজ ফকির আলমগীরের জানাজা সম্পন্ন করোনার টিকা নেওয়ার বয়সসীমা ১৮ করার ঘোষণা শিগগিরই তরুণ সমাজ সেবক জিয়াউল হাসান টিপুর ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি আরিফ উল মওলা ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা তাঁতী লীগের সা.সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মাহমুদ ইপসা’র উদ্যোগে মানব পাচার প্রতিরোধ ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টস্ লিঃ এর এমডি হলেন উখিয়ার কৃতি সন্তান শামসুল ইসলাম হিজড়াদের অবহেলা নয়, তাদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা হবে -মেয়র মুজিবুর রহমান

কেডিএস খলিলের ছেলে ‘সেল পার্টনার’

চট্টগ্রাম কারাগারের অজ্ঞাত সেলে ওসি প্রদীপের বিলাসী জীবন

চট্টগ্রাম প্রতিদিন: / ৪৯২ বার
আপডেট রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০, ৮:০৬ পূর্বাহ্ন
ওসি প্রদীপ
চট্টগ্রামে কারাগারের অজ্ঞাত সেলে ওসি প্রদীপের বিলাসী জীবন

সিনহা হত্যায় অভিযুক্ত বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ চট্টগ্রাম কারাগারে থাকলেও তাকে নির্ধারিত সেল বদলে এখন অজ্ঞাত সেলে রাখা হচ্ছে। ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দির সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তিনি বিলাসী জীবনই কাটাচ্ছেন সেখানে। এর আগে কারাগারের ভেতর থেকে মোবাইল ফোনে তিনি অহরহ বাইরে যোগাযোগ করছেন— এমন অভিযোগ উঠলেও চট্টগ্রাম কারাগারের কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না ওসি প্রদীপ।

গত ১২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে চট্টগ্রাম আসার পর থেকেই অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাশ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারেই থাকছেন।

জানা গেছে, সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যায় গ্রেপ্তার ওসি প্রদীপ শুরু থেকেই ছিলেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩২ নম্বর সেলে। এই সেলে ৩২টি কক্ষ রয়েছে। ডিভিশন পাওয়া বন্দিরা একেকজন একেকটি কক্ষে থাকেন। ওসি প্রদীপও এ ধরনের একটি কক্ষেই সাহায্যকারী একজন সঙ্গীসহ থাকতেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে চট্টগ্রাম কারাগারে ডিভিশন-১ মর্যাদাপ্রাপ্ত বন্দির সুবিধা উপভোগ করে আসছেন ওসি প্রদীপ।

আরো সংবাদ পড়ুন: চেকপোস্টে ধর্ষণ অভিযোগ : আদালতে প্রতিবেদন পুলিশের, আসামির বিরুদ্ধে সমন 

তিনি ডিভিশন ওয়ার্ডে ভারতীয় নাগরিক জিবরান তায়েবী হত্যামামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া কয়েদি কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের ছেলে ইয়াছিন রহমান টিটুর পাশের রুমেই থাকছিলেন।

তবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, কারাগারের ৩২ সেল ভেঙে এখন ৬৪ সেল করা হচ্ছে। তাই সেখানে আপাতত কোনো বন্দি রাখা হচ্ছে না। ওসি প্রদীপকে ‘অন্য স্থানে’ রাখা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

জেল কোড অনুসারে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কারাগারে ডিভিশন দেওয়া হয়। এছাড়া আদালতের নির্দেশেও কাউকে কাউকে দেওয়া হয় ডিভিশন। ওসি প্রদীপ নৃশংস হত্যামামলার আসামি হওয়ার পরও আদালতের নির্দেশে ডিভিশন সুবিধা পাচ্ছেন। বিধি অনুসারে প্রথম শ্রেণির ডিভিশনপ্রাপ্ত প্রত্যেক বন্দির জন্য আলাদা রুম থাকে। খাট, টেবিল, চেয়ার, তোষক, বালিশ, তেল, চিরুনি, আয়না— সবকিছুই থাকে সেখানে। আর ডিভিশন পাওয়া বন্দির কাজকর্ম করে দেওয়ার জন্য লিঙ্গভেদে আরেকজন ছেলে বা মেয়ে বন্দিও দেওয়া হয়। ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিরা বইপত্র ও তিনটি দৈনিক পত্রিকা পান। তাদের খাবারের মানও ভালো থাকে। চিকন চালের ভাত ছাড়াও সকালে রুটি, ডিম, কলা, ভাজি, বাটার, জ্যাম-জেলি চাইলে সেগুলোও দেওয়া হয়। দুপুরে ভাত-মাছ-মাংস তাদের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করা হয়।

এদিকে ২৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম কারাগারে থাকা ওসি প্রদীপ তার আত্মীয়-স্বজন ও আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন বলে আদালত আদেশ দিলেও পরে কারাগার থেকে আসা একটি রিপোর্টের ওপর শুনানি শেষে ওই আদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে আদালত জানান, কারাবিধি অনুযায়ী তিনি টেলিফোনে কথা বলতে পারবেন।

সেই থেকে কারাগারের ভেতর থেকে মোবাইল ফোনে ওসি প্রদীপ অহরহ বাইরে যোগাযোগ করছেন— এমন অভিযোগ উঠলেও চট্টগ্রাম কারাগারের কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, মোবাইল ফোনে এখন আর কথা বলার পাচ্ছেন না ওসি প্রদীপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: