শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা কারবারি নিহত ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে খুলতে পারে শিক্ষাঙ্গন দুদকের মামলায় কারাগারে টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ ভ্রমণে পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ভাসানচরে ঈদের আনন্দ, মেজবানের আয়োজন হাটহাজারীতে রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধার করলেন উপজেলা প্রশাসন বান্দরবানে প্রথম দফায় ৩৩৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হচ্ছে ইসলামাবাদে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত আহত-১ মুজিববর্ষে জমিসহ ঘর পাচ্ছেন ৮৬৫ গৃহহীন, শনিবার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর ভূমি অফিসের তহসিলদার জয়নাল দুদকের হাতে আটক

ক্যশৈহ্লা আবারো চেয়ারম্যান: পূর্ণ:গঠন হলাে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ

বান্দরবান প্রতিনিধি: / ৭৫ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০, ১:১১ অপরাহ্ন

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ফের পূর্ণ:গঠন হয়েছে। পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়ােগ পেয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। পরিষদের ১৪ সদস্যের মধ্যে নিয়ােগ পেয়েছে জেলা সদরের ক্যাসা প্রু, থানচি উপজেলার শৈহ্লাচিং বাশৈচিং মার্মা, আলীকদম উপজেলার দুংড়ি মং মার্মা, রােয়াংছড়ি উপজেলা থেকে কাঞ্চনজয় তংচঙ্গ্যা, সদর উপজেলা থেকে সিং ইয়ং ম্রো, জেলা শহর থেকে সত্যহা পানজি ত্রিপুরা,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেকে ক্যনে ওয়ান চাক, রুমা উপজেলা থেকে জুয়েল বম, পৌর এলাকা থেকে লক্ষীপদ দাশ ও মােজাম্মেল হক বাহাদুর, লামা উপজেলা থেকে শেখ মাহাবুবর রহমান, রােয়াংছড়ি থেকে সিংঅং খুমী, পৌর এলাকা থেকে মিজ তিংতিং ম্যা ও লামা উপজেলা থেকে ফাতেমা পারুল। সদস্যদের মধ্যে নতুন মুখ ৪ জন।

আজ বৃহস্পতিবার ১০ ডিসেম্বর মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব সজল কান্তি বণিক স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই তথ্য জানা যায়।

আরাে জানা গেছে, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯ ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশােধন) আইন, ১৯৯৭ এর ১৬ ক (৪) উপধারা এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশােধন) আইন ২০১৪ এর ৪ (২) উপধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনগঠন করেছে।

সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী জনগনের ভােটে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন হওয়ার কথা থাকলে বিগত বিভিন্ন সরকারের সময় থেকে সরকারদলীয় লােক মনােনয়ন দিয়ে পূর্নঃগঠন হয়ে আসছে পার্বত্য জেলা পরিষদ, এবারও এর ব্যাতিক্রম হয়নি। পার্বত্য জেলা পরিষদে প্রথম ও শেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালের ২৫ জুন।

এরপর আর নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। নির্বাচন অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণের দাবি থাকলেও সরকার তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে দলীয় লােক মনােনয়ন দিয়ে পরিচালনা করছে।

আইনে আরাে বলা আছে, প্রত্যেক পরিষদে সংশ্লিষ্ট জেলার জনগণের ভােটে উপজাতিদের মধ্য থেকে ১ জন চেয়ারম্যান ও ২০ জন সদস্য, অ-উপজাতি ১০ জন এবং সংরক্ষিত তিনটি মহিলা আসনে ২ জন উপজাতি ও ১ জন অ-উপজাতি সদস্য নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি নির্বাচিত পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। কিন্তু গত ৩০ বছর ধরে নির্বাচন না হওয়ায় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলােতে জনগণের অংশগ্রহন নিশ্চিত হয়নি।

১৯৯৬ সালের ৫ আগস্ট নির্বাচিত তিনটি পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে প্রত্যেক পরিষদে ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য মনােনয়ন দিয়ে অন্তবর্তীকালীন পরিষদ গঠন করে আওয়ামী লীগ সরকার। পাশাপাশি ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তিচুক্তির শর্তে ১৯৯৮ সালে আইন সংশােধন করে পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ থেকে পার্বত্য জেলা পরিষদ’ নামে সংশােধিত হয়। এরপর আর নির্বাচন দেয়নি সরকার। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ১ জন চেয়ারম্যানসহ সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১৫-তে উন্নীত করে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: