শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

এনজিও ব্র্যাকের স্টিকারযুক্ত গাড়িতে করে ইয়াবা পাচার : আটক- ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩১ বার
আপডেট শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

এনজিও সংস্থা “ব্র্যাক”(HCMP) এর স্টিকার যুক্ত জব্দকৃত এক্স নোহা (ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-৫৯২২)।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের রেজুখাল সংলগ্ন বিজিবি চেকপোস্টে তল্লাসী চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২জন মাদক কারবারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। এ সময় মাদক কারবারিদের ব্যবহৃত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলাচলের অনুমতি প্রাপ্ত বেসরকারি এনজিও সংস্থা “ব্র্যাক” এনজিও(HCMP) এর স্টিকার যুক্ত একটি এক্স নোহা (ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-৫৯২২) জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি চেক পোস্টের সামনে তল্লাসীর সময় সন্দেহ হলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে গাড়ি চালক মামুন ও জুনাইদ নামের দুই ইয়াবা কারবারিকে আটক করা হয়। আটকের পর ধৃতদের স্বীকারোক্তি মতে ব্র্যাকের স্টিকার যুক্ত গাড়ি থেকে পলিথিন মোড়ানো ব্যাগে সর্বমোট ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য আনুমানিক ৩০ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা জব্দকৃত গাড়ির মুল্য আনুমানিক ২০লক্ষ টাকা।

আটক আসামীদের মধ্যে রয়েছে, নুরুল ইসলামের ছেলে গাড়ি চালক মামুন ও নুরুল আলমের ছেলে মোঃ জুনাইদ। জানা যায়,জব্দকৃত গাড়িটি শহরের সায়রা রেন্ট এ কারের মালিকানাধীন। গাড়িটি ব্র্যাক এনজিও’র মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাতায়াতের অনুমতিপ্রাপ্ত স্টিকার লাগানো ছিল।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ব্র্যাকের স্টিকার লাগানো গাড়িতে ১০ হাজার ইয়াবাসহ ২জন মাদক কারবারিকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রেজুখাল সংলগ্ন বিজিবি চেকপোস্টের হাবিলদার আনিসুর রহমান। অন্যদিকে ভিন্ন ভিন্ন অভিযানে একইদিন চেকপোস্টে ২৮৮পিচ ও ৩ হাজার ৮৬৫ পিচ ইয়াবাসহ আরও ২জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে বলেও তিনি জানান। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১২লক্ষ ৮২ হাজার চারশত টাকা।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অন্যদিকে সায়রা রেন্ট এ কার এর বিরুদ্ধে রয়েছে এন্তার অভিযোগ। রোহিঙ্গা আসার পর যানবাহন সাপ্লাইয়ার হিসেবে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন এনজিওতে তারা গাড়ি সরবরাহ করে। কিন্তু এনজিও”র শর্ত ভঙ্গ করে শুক্রবারে ব্র্যাকের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে করে দীর্ঘদিন যাবৎ তারা মাদক ব্যবসায় জড়িত রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে গাড়ি সাপ্লাইয়ার হিসেবে ২০১৮ সালে সায়রা রেন্ট এ কার যথাসময়ে টেন্ডারে অংশগ্রহন না করেও নির্ধারিত সময়ের একমাস পর ব্র্যাকের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের যোগসাজসে যানবাহন সরবরাহ করে আসছে।

এ ব্যাপারে এনজিও সংস্থা ব্র্যাক”র লজিস্টিক কর্মকর্তা অনুপম চক্রবর্তী বলেন, সায়রা রেন্ট এ কারের গাড়ি গুলোর বিরুদ্ধে এর আগেও অনেক অভিযোগ রয়েছে। আমাদের স্টিকার লাগিয়ে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার ঘটনা আমাদের হেড অফিসে জানানো হয়েছে এবং শীঘ্রই তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুত্রঃ উখিয়া নিউজ:


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: