সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
‘খালেদা জিয়ার কিছু হয়ে গেলে তার দায় সরকারের’ রাতের ফেরিতেও ঢাকামুখী বাঁধভাঙ্গা জনস্রোত থাইংখালী খেলোয়াড় সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন স্ত্রীকে নিয়ে কাবা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলেন ইমরান খান পালংখালী ইউনিয়নবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এম.গফুর উদ্দিন চৌধুরী উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ টেকনাফের শুক্কুর গ্রেফতার উখিয়া উপজেলা ছাত্রদল নেতা মামুনের উদ্যোগে বিনামূল্যে বই বিতরণ উখিয়ার বালুখালী টমটম শ্রমিক কল্যান সমবায় সমিতির সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ রত্নাপালংয়ের মোক্তার আহম্মদ চৌধুরী’র ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ নাইক্ষ্যংছড়িতে আনসার-ভিডিপি সদস্যের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

এএসপি শিপনের মৃত্যু : দুপুরে সংবাদ সম্মেলন, মামলা হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ:: / ১১৬ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০, ৫:০৫ পূর্বাহ্ন

রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপনের মৃত্যুর ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

তেজগাঁও পুলিশ এক ক্ষুদেবার্তায় জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় শ্যামলীতে উপপুলিশ কমিশনারের (তেজগাঁও বিভাগ) কার্যালয়ে এএসপি আনিসুল করিম হত্যাকাণ্ড বিষয়ে ব্রিফ করবেন তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

সোমবার (৯ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর আদাবর থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশনস) মো. ফারুক মোল্লা জানান, শিপন সর্বশেষ ট্রাফিকের সিনিয়র এসি (সহকারী কমিশনার) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

সোমবার দুপুর পৌনে ১২টায় মানসিক সমস্যার কারণে হাসপাতালে আসেন এএসপি আনিসুল করিম। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালটিতে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই মারা যান তিনি। হাসপাতালের অ্যাগ্রেসিভ ম্যানেজমেন্ট রুমে তাকে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

দীর্ঘক্ষণ অচেতন থাকা অবস্থায়ও তাকে ভর্তি কার্যক্রম করা হয়নি। কিছুক্ষণ পর ১২টার দিকে তাকে হাসপাতালের লোকজন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান হাসপাতালে নেয়ার আগেই মৃত্যু (ব্রট ডেথ) হয় শিপনের।

ইন্সপেক্টর মো. ফারুক মোল্লা আরও বলেন, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখেছি তার হাত চেপে রাখা হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬-৭ জনকে থানায় এনেছি। নিহতের মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হবে। জড়িত সবাইকে মামলার আসামি করা হবে।

এদিকে হাসপাতালটির সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে জাগো নিউজের কাছে। এতে দেখা যায়, সকালে আনিসুল করিম শিপন হাসপাতালে ঢোকার পরই ৬-৭ জন তাকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাটিতে ফেলে চেপে ধরেন। এ সময় মাথার দিকে থাকা দুজন হাতের কনুই দিয়ে তাকে আঘাত করছিলেন। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি নীল কাপড়ের টুকরা দিয়ে শিপনের হাত পেছনে বাঁধা হয়। চার মিনিট পর তাকে যখন উপুড় করা হয়, তখনই ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন শিপন।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছে, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।

আনিসুল করিম শিপন ৩১তম বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। সর্বশেষ তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি এক সন্তানের জনক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: