মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
উখিয়াতে ঝুকিপূর্ণ বাজার ব্যবস্থাপনাঃদেখা নেই অগ্নিনিবার্পক যন্ত্র মহাখালীর সাততলা বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট নেতাকর্মীর ভালবাসায় সিক্ত কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক কক্সবাজার জাহাঙ্গীর মেচ ও শাহ মজিদিয়া রেস্টুরেন্টকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কক্সবাজারে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে এবার হচ্ছে ‘শিশু হাসপাতাল পালংখালীর আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাবিবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন দুর্নীতির মামলা থেকে খালাস ইশরাক হোসেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ২ একর সরকারি বনভূমি উদ্ধার কক্সবাজারে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এসআর নিহত হার মেনে নাও: ট্রাম্পকে ঘনিষ্ঠ মিত্র

উখিয়ায় আমনের মাঠে মৃদু হাওয়ায় দুলছে সোনালি ধান

রবিউল ইসলাম টিটু: / ৭৯ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন

উখিয়ায় আমনের মাঠে মৃদু হাওয়ায় দুলছে সোনালি ধান। হেমন্তের মিষ্টি হাওয়ায় সেই ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত এখানকার কৃষকেরা। নানা স্বপ্নের বীজ বোনা যেন এই ফসলে। উখিয়ায় বাম্পার ফলনে সেই স্বপ্ন-সফলতার দারপ্রান্তে। তাই বেশি হাসিখুশিই তারা।
দেশের অন্যান্য এলাকার মতো এখানকার কৃষককে বৈরি আবহাওয়ার তেমন বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। অনেকটা খোশ মেজাজে চকচকে সোনালি ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক। সব কিছু ঠিকঠাক থাকায় আল্লাহর রহমতে শতভাগ ফসল উঠবে ঘরে।এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উৎপাদন ভালো হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিবিদ বদিউর আলম।
এরই মধ্যে ৫ শতাংশ রোপো আমন ধান কাটা শেষ হয়েছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে আমন ধান কাটা শেষ হবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষকরা বলছেন, এবার বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হওয়ায় ধানের আবাদে অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। ধান চালের মূল্যও কিছুটা বাড়তি। তাই কৃষকরা মহা খুশি। এখন ধান কাটতে শুরু করেছেন।
তবে স্থানীয় শ্রমজীবি মানুষেরা হতাশা ব্যক্ত করেছেন। দিন মজুর জানে আলম বলেন, আমরা ধান কাটতাম। এখন কাটতে পারি না। কম দামে রোহিঙ্গাদের এনে ধান কাটা হচ্ছে। ধান কাটা থেকে শুরু করে সকল প্রকার কাজ রোহিঙ্গাদের দখলে। তাই আমরা পরিজন-পরিবার নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছি।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, তরিতরকারির দোকান, চায়ের দোকান, টমটম চালানো থেকে সর্বত্রই এখন রোহিঙ্গারা। এরা আমাদের কাজে ভাগ বসাচ্ছে। ধান কাটতে আসা উখিয়া ৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শামসুল আলম বলেন, আমরা সারা দিন ক্যাম্পে বসে থাকি। কোনো কাজ নেই। তাই কাজের সন্ধানে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে ধান কাটাসহ নানা গৃহস্থালি কাজ করছি।
ধান কাটতে আসা আরেক রোহিঙ্গা রিদুয়ান বলেন, আমরা ভোর বেলা দল বেধে কাজে চলে আসি। এখানকার মানুষজন আমাদের আদর করে কাজ দেয়। তাই আমরা কাজ করতে পারি। যদি স্থানীয়রা আমাদের বাধা দিত তাহলে আমরা কাজ করতে পারতাম না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: