বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টেকনাফ র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই রােহিঙ্গা মাদককারবারী গ্রেফতার উখিয়ায় দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত-৫ উখিয়ায় পালংখালীতে অধিকার বাস্তবায়নের নামে প্রতারণা, নেপথ্যে রবিউলের নির্বাচনী প্রচারণা ব্রেকিং : বালুখালীর নুরুল আজাদ আশিক ইয়াবাসহ আটক দেশের ভূখন্ডে কোন সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না-উখিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেফতার ডুলাহাজারা শাহ সুজা সড়কে নৈরাজ্য :স্থানীয়রা ধুলা-বালিতে অতিষ্ট! রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে উখিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বছরের মাঝামাঝি সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন! সীমান্তে বেড়েছে পাচার: ১ বছরে ১২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণ ও ইয়াবা উদ্ধার

ইউএনওকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার প্রধান আসামি আটক

ডেস্ক নিউজ:: / ১১৪ বার
আপডেট শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:১৭ পূর্বাহ্ন
আটক আসাদুল হক (৩৫)। ইনসেটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় প্রধান আসামিকে আটক করেছে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ দল।

শুক্রবার ভোররাত ৪টা ৫০ মিনিটে হিলির কালিগঞ্জ এলাকা থেকে আসাদুল হককে (৩৫) আটক করা হয়। সে ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুরের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

হাকিমপুর থানার ওসি ওয়াহিদ ফেরদৌস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট থানা এবং র‌্যাব রংপুরের একটি দল যৌথভাবে হিলির কালিগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসাদুল হককে আটক করে। এ ঘটনার প্রধান আসামি ইউএনওর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত সেই করেছে। তাকে রংপুরে র‌্যাব কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটে :

বুধবার রাত আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে এক থেকে দুই জন ইউএনওর সরকারি বাসভবনের ২য় তলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ওয়াহিদা খানমের শয়নকক্ষে ঢুকে হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এক পর্যায়ে পাশের কক্ষে অবস্থানরত তার বাবা ওমর আলী শেখ তাহাজ্জদের নামাজ পড়তে ওঠেন।

এ সময় এ দৃশ্য দেখে মেয়েকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। দুর্বৃত্তরা তখন তাকেও হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। হাতুড়ির আঘাতে ওয়াহিদা খানম রক্তাক্ত জখম হন ও জ্ঞান হারান। এ সময়ে পাশে থাকা তার তিন বছরের শিশুপুত্রের চিত্কার শুনে বাড়ির নাইটগার্ড তার ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। এরপর তার চিত্কারে পাশের ভবনে অবস্থানরত বিভিন্ন অফিসের লোকজন এসে ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

অবস্থার অবনতি হলে ওয়াহিদা খানমকে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে এনে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল সন্ধ্যায় তার জ্ঞান ফিরে আসে। রাতে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. রাজিউল হক ও নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের নিউরো সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় জনের টিম রাত সাড়ে ৯ টায় অপারেশন শুরু করেন। দেড় ঘন্টা ধরে অপারেশন চলে।

অধ্যাপক ডা. রাজিউল হক জানিয়েছেন, অপারেশন সফল হয়েছে। ওয়াহিদা খানম শংকামুক্ত বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বদরুল আলম জানিয়েছেন, তাকে ৭২ ঘন্টার জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: