সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

নতুন বছরের এই হউক আবেদন

আসুন, আমি নই; আমরা হয়ে উঠি

কলাম / ২২৩ বার
আপডেট শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১, ৪:২৩ পূর্বাহ্ন

মোহাম্মদ আনোয়ার হেসেন

করোনাকালীন অদ্ভুত সুন্দরতম সময়ের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিকভাবে আমরা সকলেই যে একই সুতায় গাঁথা তা আধুনিক সভ্যতার এই সময়ে সকলেই নতুন করে উপলব্ধি করতে পেরেছি। আমরা বিশ্ব ব্রক্ষ্রান্ডের এমন একটা সময়েকে লালন করছি যাকে বলা হয়ে থাকে – সভ্যতার চরম উৎকর্ষতা। পৃথিবী তার রূপ রস আর রং নিয়ে জন্ম জন্মান্তরকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। ২০২০ সালটি পৃথিবীর মানুষগুলোকে সকলের জীবনে এমনভাবে ধারন করিয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। পৃথিবী তার সবটুকু ভালোবাসা নিয়ে আমাদের ধারন করছেন। আমি, আমরা কৃতজ্ঞ। খোলা আকাশ দেখতে ভালো লাগে না প্রানীকূলে খুঁজে পাওয়া দুস্কর। তাইতো প্রতিটি জাতী সত্ত্বাই তার নিজস্ব সংস্কৃতির আবহে আকাশের সাথে মিতালী সুদৃঢ় করে থাকে। পৃথিবীর মানচিত্রে ভৌগলিক ভাবে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি সবময়ই সভ্যতা থেকে সভ্যতার সংযোগে অবদান রেখে যাচ্ছে এবং সংযোগ সাধন করছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার ও আমুল পরিবর্তন দেখা যায়। পরিবেশ ও প্রতিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে একই আকাশের নিচে সবার বসবাস করতে চাওয়ার প্রবনতার আলোকে বৈশ্বিক চিন্তাটি সর্বজন স্বীকৃত। আকাশ সংস্কৃতির বৈশ্বিক সময়ে, হাজার হাজার বছর ধরে লালিত এবং পালিত বাঙালীর নিজস্ব সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সমূহের সঠিক আর যুতসই ব্যবহারের মাধ্যমে, তথ্য প্রবাহের অবাধ স্বাধীনতার সফলতা আমাদের আসবেই; তা সমসাময়িক বছর গুলোতে প্রতিয়মান হয়েছে। দুবার্র অগ্রগতিতে এগিয়ে চলছে আমাদের বাংলাদেশ। এই আমাদের সবচেয়ে ভালো লাগা। বিগত কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগযোগ ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে, বাংলাদেশ ও পিছিয়ে নেই এ ক্ষেত্রে। আকাশ সংস্কৃতির এই যুগে প্রবেশের স্বাধীনতা থাকলে যে কেউ সহজেই পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তের মুহূর্তটাকে নিজের একান্ত কাছের করে দেখতে পারে। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অপরিসীম গুরুত্ব বহন করে। ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ নানান ধরনের সোশ্যাল সাইটে আমাদের পদচারণা চোখের পড়ার মতো। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একজন মানুষের প্রতিফলন স্বরূপ। বিশাল ভূ-খন্ডের বদ্বীপময় বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারের প্রতিটি ব্যক্তিবর্গের প্রয়োজনীতার নিরিখে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে যেমন উপকারিতা আছে, তেমনি রয়েছে ভোগান্তিও। গুজবের অনেক ঘটনা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বেশি ঘটছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসমূহ জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হয়রানির মাত্রাও বাড়ছে। আইডি হ্যাক, ছবি ও তথ্য চুরি, ভুয়া আইডিসহ নানাভাবে অনেকেই হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাই অনেক সময় এটি আনন্দের চেয়ে বিষাদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ কারণে জনপ্রিয় এ মাধ্যমসমূহ ব্যবহারে সর্তক থাকা প্রয়োজন। সতর্কতাটা শুরু হউক নিজের পরিবার থেকে। তথ্য প্রবাহের ধারাবাহিক অগ্রসরতার উৎকর্ষতায়, পৃথিবী মানচিত্রে লাল সবুজের অবস্থান ও অনেক সুদৃঢ় এবং মজবুত হবে। তারুন্যে বহমান আমরা বাঙালী জাতীরা, আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে আজ অবধি অধিকাংশ ক্ষেত্রে অবাধ তথ্য প্রবাহের সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেয়ার সাফল্য, পৃথিবীর বুকে সম সাময়িক মানচিত্র অর্জনকারীদের নিকট আশ্চর্যান্বিত মনে হয়। যেমনটা সততা, নিষ্ঠা আর আন্তরিকতার সাথে কাজের মাধ্যমে সর্বজন স্বীকৃত সূচকসমূহের প্রভূত অর্জনসমূহ বিশ্ব দরবারের বিভিন্ন সভাসদদের নিকট প্রশংসিত হয়। আসুন, সারা বছরের কিংবা সারাটি জীবনের তথ্য-প্রযুক্তিতে নিজের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের বিষয়সমূহকে, সকলে মিলে, উপলব্ধির আলোকে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসমূহে অবস্থানটাকে সাজিয়ে তুলি। পরিবারের একজন হিসেবে পরিবারের ভেতরকার সকলের বৈশ্বিকতায় সকলেরই সকলের প্রতি যত্নবান হতে হয়। যত্নটা সবার জন্যই। পরিবারের সকলের ব্যক্তিবর্গের মাঝে পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও নৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠায় সকলকে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে। পরিবারসমূহের ভেতরকার সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং নৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজের নিয়ামক হিসেবে পরিবারের সদস্যরা সমগ্র সমাজ জুড়েই সুন্দরতম সময় উপহার দিতে পারবে। যদি কোন শিশু-কিশোরদের সামাজিক নেটওয়োর্কের অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, অধিকাংশ সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সেটিংস্, প্রোফাইল ডিফল্ট থাকে যা হয়ত সবার জন্য উন্মুক্ত, এই ক্ষেত্রে শিশু-কিশোরদের অভিভাবকদের উচিত হবে সেই অ্যাকাউন্টের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সেটিংস্, প্রোফাইলে যাতে সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা থাকে তার ব্যবস্থা করা। অনেক সময় শিশু-কিশোরদের অভিভাবকরা তাদের সন্তানের সামাজিক মিডিয়া কার্যকলাপ চেক করতে পারেন বা “অনুসরণ” করতে পারেন, যাতে করে তাদের সন্তানকে সামজিক ও নৈতিকতা বোধ শিক্ষা দেয়া যায়। যাতে করে শিশু, কিশোর-কিশোরীরা বুঝতে পারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে তথ্য এবং তত্ত্ব সম্পর্কে ধারনা পাওয়া অতি দ্রুততার সাথে করা যাচ্ছে। চাইলেই, নিজের একান্ত কোন মনের ভেতরকার মানসিক অবস্থার ও জানান দেয়া যায় খুব সহজেই। এসব সমস্যা নিয়ে অতি উৎসাহিত হওয়ার যেমন প্রয়োজন নেই তেমনি ভেঙে পড়ার কিছু নেই। কারণ এর সহজ সমাধান আছে। এ জন্য জানতে হবে কিছু কৌশল।

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হিসেবে কঙ্বাজার এর পরিচিতি বহু পুরনো। সাগর, নদী আর পাহাড় এর মিতালী পৃথিবীর বুকে খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়। যেমনটি আমরা দেখি মহেশখালী উপজেলাতে। তার উপর অপার সৌন্দর্যময় কোরাল দ্বীপ হিসেবে সেন্টমার্টিন যে কত পুরনো সময় ধরেই পৃথিবীর বুকে পরিচিত তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। বাংলাদেশের প্রতিটি ব্যক্তিমাত্রই সমভাবে নানা বিষয়ের আলোকে সমগ্র দেশব্যাপী কঙ্বাজারের নাম যে জানে তা শুধুনয়। বিশ্ব সভাসমূহেও সর্বসময় কক্সবাজার নামটি আলোচিত এবং প্রশংসিত। কক্সবাজার নিয়ে আলোচনার বিষয়ে বড় একটি অংশজুড়ে থাকে বৃহত্তর জেলাটির বিভিন্ন
উপজেলার সকল মানুষের উদারতা, সহযোগীতা এবং সহমর্মিতার কারনে। অনেক কারনসমূহের মধ্যে দুইট বড় মাপে উল্লেখ করা যেতে পারে। সারা বছর জুড়েই বাংলাদেশের নানা জায়গা থেকে এবং পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আগমন ঘটতে থাকে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার সরকার কর্ত্বৃক সেদেশের নাগরিক রোহিঙ্গা জাতীগোষ্ঠার উপর সমসাময়িক ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ এমনকি গনহত্যাযজ্ঞের কারনে বলচুত্য বাস্তুচ্যুত মাগায়নমারের নাগরিকরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসলো। বিশাল সংখ্যক মায়ানমারের নাগরিকদের আশ্রয় দেয়ার বিষয়টি সারা বাংলাদেশের মানুষরা যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা মানব ইতিহাসে ভুয়সী প্রশংসার দাবী রাখে। আমাদের দেশটির পাওয়ার কোন হিসেব ছিলো না। একটা কথা- পৃথিবীর সকল দেশ, জাতীগোষ্ঠীর মানুষদের শ্রদ্ধার সাথে
স্মরন করতে হবে। তা হলো শুধুমাত্র ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমরাও নিজ দেশ থেকে পালিয় গিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে হয়েছিলো। বাংলাদেশের প্রতিটি ব্যক্তিমাত্রই উপলব্ধি করেন, আমরা বুঝি- দেশত্যাগের নির্মম যন্ত্রণা আর অপরিহার্যতা। আমাদের শরীরে মানবতা বিরোধী নির্যাতনের দগদগে রক্তাক্ত দাগ এখন ও বিলীন হয়ে যায়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সেই সময়কার ভয়াবহতম সময় পার করে আসার বোধ থেকেই প্রতিবেশী রাষ্ট মায়ানমার এর নাগরিকদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে।

ছোট্র ভূ-খন্ডের এই দেশটির ছোট অংশজুড়ে রয়েছে টেকনাফ এবং উখিয়া উপজেলা। এই দুই উপজেলার প্রতিটি ব্যক্তিবর্গ মাগায়নমারের বলপূর্বক বাস্তুচূত্য নাগরিকদেরকে ধারন করার যে মনোবল দেখিয়েছেন। পৃথিবীর বুকে এত অল্প জায়গার মধ্যে অন্য দেশের নাগরিকদের ধারন করে সর্বসময় মানুষের মর্যাদায় রাখতে পারা এবং চাওয়াটা খুব কমই দেখা যায়। এই দেশের একজন হিসেবে এই অঞ্চলের সকলের জন্য রইল সশ্রদ্ধ শুভকামনা। বছরের শুরুতেই শ্রদ্ধাভাজন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিটি পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং অভিনন্দন। পাশাপাশি সকল দাতা দেশ এর সকল জনগনকে ধন্যবাদ। কঙ্বাজের অবস্থানরত বলপূর্বক বাস্তুচূত্য মাগায়মারের নাগরিকরা তাদের নিজস্ব ভূ-খন্ডে দ্রুততার সাথে ফিরে যাক এই প্রার্থনা সারাটি বছর জুড়ে সকল সময়ের। সমস্যার শুরু যেখানে সেখান থেকেই সমাধান নিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপে পরিবারের প্রতিটি মানুষের সাথে শেয়ারিং এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংশিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে অংশীজন নিয়েই তথ্য-প্রযুক্তি সংশ্ল্ষি্ট সমস্যা সমূহের সমাধান করবেন। এই আশাবাদ সারাটি বছর জুড়েই। নতুন প্রজন্মের আগত পৃথিবীর সকলের জন্য একই স্বরে প্রার্থনা সকলের সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে বেগবান হবে।পৃথবীর মানচিত্রে আমরা, বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডের অধিবাসীরা যে যেখানেই থাকুক না কেন সকলের জন্য শুভ কামনা। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি পৃথিবীর মানচিত্রে নিজের অবস্থানসমূহে সকলরে নিকট সম্মান, শ্রদ্ধা এবং অনুকরণীয় হয়ে উঠবে, আশাবাদী একজন হিসেবে এই চাওয়া আমাদের সবসময়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুষম খাদ্যাভাসে শিশুকালীন সময়টাতে বুদ্ধির বিকাশ সাধন হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তেমনি করে জীবনের প্রতিটি ধাপ যেমন-কৈশোরকালীন, যৌবন এবং প্রৌঢ়ত্বের সময়টাতেও অভ্যাসমূহ চালিয়ে নিতে হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। করোনাকালীন সময়ে একে অপরের স্বাস্থ্যবিধি এবং সুষম খাদ্যাভাসের ব্যাপারে সচেতনার মাধ্যমে সহভাগী হয়েছি। যেমনি করে নিজে এবং পারিবারিক সকলে সুস্থ্য সবল রাখার প্রানান্তকর চেষ্টাসমূহ আমাদেরকে আশান্বিত করে। তেমনি করে আমাদের সকলকে যে যার অবস্থানে থেকে একান্ত নিজের মনস্তত্বে লালন করে, বছর থেকে যুগ এবং শতাব্ধী থেকে শতাব্দী পর্যন্ত এক অন্যের হয়ে উঠতে হবে। অমি নই , আমরা হিসেবে নিজেদের পরিচয়ে বলীয়মান হতে হবে। তখনই এই পৃথিবীর যে যেখানে যে আবস্থাতেই থাকুক না কেন সেই ব্যক্তিবর্গ মাত্রই অনুধাবন করতে পারবে বাংলাদেশের স্বকীয়তা। পৃথিবীর সকল জাতিসত্ত্বার কাছে। বৈশ্বিক সময়ের সকল সভার সভাসদরের প্রতি বিনীত নিবেদন – যেকোনভাবেই, সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে, সকলের সমন্বিত পদক্ষেপ এবং প্রচেষ্টার আলোকে মায়ানমার যাতে দীর্ঘদিন ধরে তার অপরিচ্ছন্ন মনকে ধ্বংস করে দিয়ে নতুন করে তার আঙ্গিনা সাজিয়ে তুলে। আর সর্বাগ্রে, বাংলাদেশে অবস্থানরত মায়ানমারের নাগরিকদের অতি দ্রুততার সাথে ফিরিয়ে নিয়ে যায় তার নিজের দেশে। করোনাকালীন মহামারীর সময়ে একে অপরের প্রতি ভাবনা সমূহ নিয়ে আমি নই, আমরা হয়ে ওঠার চেষ্টাটুকু২০২১ সালকে মহিমান্বিত করবে এই আশাবাদ সারা বছর জুড়েই, সকলের কাছে।

লেখক: উন্নয়নকর্মী
E-mail: hmohmmadanwar@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: