শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কোটবাজারের পল্লী চিকিৎসক জামালকে দুদকে তলব ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় পটুয়াখালীতে ৯০০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত উখিয়া আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদক ছাড়া কোন পদের বৈধতা নেই এবার দুর্গা এসেছেন ডাক্তারি অ্যাপ্রোনে করোনা বিনাশী রূপে পালংখালীতে কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা : ব্যর্থ হয়ে বসতবাড়ীতে তান্ডব, মালামাল লুট সেন্টমার্টিনে দূর্যোগে আটকা ৫ শতাধিক পর্যটক নিরাপত্তাহীনতায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা কক্সবাজারের পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে এবার কোটি টাকা চাঁদা দাবি’র অভিযোগ রোহিঙ্গা গণহত্যার স্বীকৃতি চেয়ে ৩৫ সংস্থার আহ্বান পেকুয়ায় যুবলীগ সম্পাদকসহ ব্যবসায়ীদের কান ধরে উঠবস করালেন এএসআই

করোনাভাইরাস দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে বাংলাদেশে

ডেস্ক নিউজ: / ৮১ বার
আপডেট শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
ছবি: সংগৃহী


বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে কোভিড-১৯ অনেক দ্রুতগতিতে রূপ পরিবর্তন করছে। বিশ্বে এর পরিবর্তনের হার ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বিসিএসআইআর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরি কোভিড-১৯ জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, দেশের ৮ বিভাগ থেকে সর্বমোট ২’শ ৬৩টি জিনোম সিকোয়েন্সিং ডাটা বিশ্লেষণ করা হয়। মে মাসের ৭ তারিখ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত এসব ডাটা সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল ভাইরাসের সংক্রমণ, মিউটেশনের হার, জিনগত বৈচিত্র্য, নন-সিনোনিমাস মিউটেশন এবং জিনোমিক ফাইলোজেনি পর্যবেক্ষণ করা। গবেষণার ফলাফলকে কোভিড-১৯ মহামারি রোধে কার্যকর ভূমিকা পালনে ব্যবহার করা।

সংগৃহীত নমুনায় শতভাগ ক্ষেত্রে আধিপত্যকারী ভ্যারিয়েন্ট জি৬১৪ (স্পাইক প্রোটিনে ৬১৪তম অবস্থানে অ্যাসপাটি এসিডের পরিবর্তে গ্লাইসিন হওয়ার কারণ) এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ২৬৩টি সার্স কোভ ২ জিনোম বিশ্লেষণে ৭৩৭ পয়েন্টে মিউটেশন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৫৮ নন-সিনোনিমাস অ্যামিনো এসিড প্রতিস্থাপন ঘটায়। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে বার্ষিক মিউটেশনের হার ২৪ দশমিক ৬৪ নিউক্লিওটাইড।

স্পাইক প্রোটিনের জিনে ১০৩টি নিউক্লিওটাইড মিউটেশনের মধ্যে ৫৩টি নন-সিনোনিমাস অ্যামিনো এসিড প্রতিস্থাপন ঘটে যার মধ্যে ৫টি স্বতন্ত্র যা বিশ্বে আর কোথাও নেই। সংগৃহীত নমুনায় শতভাগ ক্ষেত্রে ৪টি মিউটেশন পুনরাবৃত্তি লক্ষ্যণীয়। গবেষণার ফলাফল প্রিন্ট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকটি রিসার্চ পেপার শিগগিরই আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হবে। চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভাক রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, আমেরিকার প্রতিষ্ঠান মর্ডানা, দ্য ইউনির্ভাসিটি ও অক্সফোর্ডসহ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করা ৫০টি প্রতিষ্ঠানে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। যা বাংলাদেশের কোভিড-১৯ উপযোগী ভ্যাকসিন উৎপাদনে সহায়তা করবে এবং বিসিএসআইআর তার অংশীদার হওয়ার গৌরব অর্জন করবে দাবি করেছে বিসিএসআইআর।

বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ সংখ্যক জিনোম সিকোয়েন্সিং করা ৫টি প্রতিষ্ঠানের বিসিএসআইআর একটি। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম জিনোমিক রিসার্চ ল্যাব বলে গণ্য করা হয় বিসিএসআইআরকে। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নসহ বেশ কয়েকটি খ্যতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে বলে সংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিসিএসআইআর এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আফতাব আলী শেখ।

সূত্র: বার্তা ২৪


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: