বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

‘ইউএনও ওয়াহিদার অবস্থা সংকটাপন্ন, অস্ত্রোপচার অসম্ভব’

ডেস্ক নিউজ:: / ৪৪ বার
আপডেট বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সংকটাপন্ন।

দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সংকটাপন্ন। এখনই অস্ত্রোপচার বা বিদেশে নেয়া সম্ভব নয়।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের পরিচালক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন।

এর আগে ওয়াহিদা খানমকে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মাথার বাম পাশে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাম হাত ও পা কোনো রকম সাড়া দিচ্ছে না।

রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সংকটপন্ন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠান চিকিৎসকরা।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান তোফায়েল আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের মাথার বাম পাশে গুরুতর আঘাত রয়েছে। সেখানে দেবে যাওয়ায় ডান হাত ও পা অবশ হয়ে গেছে। এছাড়া মাথার পানি গহ্বরে রক্তক্ষরণ হয়েছে৷ অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার নিরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওয়াহিদা খানমের বাবা ওমর আলী নওগাঁ থেকে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। ওয়াহিদার স্বামী মেজবাহুল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার সকালে ঘোড়াঘাট ইউএনও ও তার বাবার ওপর সন্ত্রাসীর হামলার খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম ও পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ জানায়, রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে দৃর্বৃত্তরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ইউএনও’র বাসার নাইটগার্ডকে বেঁধে রেখে পেছন দিকের ভেন্টিলেটর ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। কিছু বুঝার আগেই দৃর্বৃত্তরা ইউএনও ওয়াহিদা ও তার বাবা উমরকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরে তারা জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দৃর্বৃত্তরা চলে যায়।

সকাল ৭টার দিকে ইউএনও’র বাবার জ্ঞান ফিরলে লোকজনকে ডাকাডাকি করেন। পরে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ওমর আলী পুলিশকে বলেছেন, রাতে বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে কেউ একজন বাসায় ঢোকে। ওয়াহিদা খানম টের পেয়ে এগিয়ে গেল তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। এ সময় ওমর আলী এগিয়ে গেলে তাকেও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে হামলাকারী পালিয়ে যায়।

ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই বাসা থেকে কোনো কিছু খোয়া যায়নি। এটি ডাকাতির চেষ্টা, না ‘আক্রোশ’ থেকে কেউ হামলা করেছে, সেটা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: