শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কোটবাজারের পল্লী চিকিৎসক জামালকে দুদকে তলব ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় পটুয়াখালীতে ৯০০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত উখিয়া আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদক ছাড়া কোন পদের বৈধতা নেই এবার দুর্গা এসেছেন ডাক্তারি অ্যাপ্রোনে করোনা বিনাশী রূপে পালংখালীতে কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা : ব্যর্থ হয়ে বসতবাড়ীতে তান্ডব, মালামাল লুট সেন্টমার্টিনে দূর্যোগে আটকা ৫ শতাধিক পর্যটক নিরাপত্তাহীনতায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা কক্সবাজারের পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে এবার কোটি টাকা চাঁদা দাবি’র অভিযোগ রোহিঙ্গা গণহত্যার স্বীকৃতি চেয়ে ৩৫ সংস্থার আহ্বান পেকুয়ায় যুবলীগ সম্পাদকসহ ব্যবসায়ীদের কান ধরে উঠবস করালেন এএসআই

কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাহাত খান আর নেই

ডেস্ক নিউজ:: / ৫৫ বার
আপডেট শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান আর নেই। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন রাহাত খানের স্ত্রী অপর্ণা খান।

রাহাত খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়বেটিস রোগে ভুগছিলেন। গত ২০ জুলাই রাহাত খানকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগের দিন বাসায় খাট থেকে নামতে গিয়ে কোমরে ব্যথা পান তিনি। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করা হলে পাঁজরে ক্ষত ধরা পড়ে। পাশাপাশি তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে বারডেম হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি করা হয়।

তিনি ১৯৪০ সালের ১৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পূর্ব জাওয়ার গ্রামের খান পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। কথাসাহিত্যিক হিসেবে সমাদৃত হলেও কর্মসূত্রে রাহাত খান আপাদমস্তক সাংবাদিক।

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় তিনি ষাটের দশক থেকে কর্মরত ছিলেন। তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। বিখ্যাত সিরিজ মাসুদ রানার রাহাত খান চরিত্রটি তার অনুসরণেই তৈরি করা।

রাহাত খান ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবনে রাহাত খান কথাশিল্প, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও উপন্যাসের নিপুণ কারিগর হয়ে উঠেছেন। ১৯৭২ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ অনিশ্চিত লোকালয় প্রকাশিত হয়।

তার পরবর্তী উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অমল ধবল চাকরি, ছায়াদম্পতি, শহর, হে শূন্যতা, হে অনন্তের পাখি, মধ্য মাঠের খেলোয়াড়, এক প্রিয়দর্শিনী, মন্ত্রিসভার পতন, দুই নারী, কোলাহল ইত্যাদি।

তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৩), সুহৃদ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৫), সুফী মোতাহার হোসেন পুরস্কার (১৯৭৯), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮২), ত্রয়ী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮) এবং একুশে পদক (১৯৯৬) পেয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: