শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
জীবন ও জীবিকায় সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ: জাতিসংঘে হাসিনা ছাত্রাবাসে নারীকে গণধর্ষণ: আসামি রবিউল মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চেরও সভাপতি সেব্রিনা ফ্লোরা ৩ দিনের সফরে রোববার কক্সবাজার আসছেন কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে আল ইয়াকিন নেতা হেফজর রহমানের হাতে জিম্মি সাধারণ রোহিঙ্গারা আলীকদম স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এস এম মিজান সর্দার স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ:ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়িত্ব নিলেন জেলা কারাগারের নতুন জেল সুপার নেছার আলম উখিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে সঞ্জুর মোরশেদের দায়িত্বভার গ্রহন চাকরি হারাচ্ছেন মাদকাসক্ত ২৬ পুলিশ সদস্য গরু চুরির অপবাদে জুতার মালা ও কোদাল দিয়ে মাথা ন্যাড়া

বয়স ১২ বছরের বেশি হলেই মাস্ক পরা উচিত: ডব্লিউএইচও

ডেস্ক নিউজ:: / ৪৯ বার
আপডেট শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

# ৫ কিংবা তার কম বয়সীদের মাস্ক না পরলেও চলবে।

করোনার সংক্রমণ রোধে ১২ বছরের বেশি বয়স হলে অবশ্যই বয়স্কদের মতো মাস্ক পরা উচিত বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফ।

শনিবার সংস্থা দুটি জানায়, সারাবিশ্বে শিশুরা কিভাবে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছে তার রেকর্ড খুব কমই জানা গেছে। তবে শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একইরকমভাবে অন্যকে সংক্রামিত করতে পারে, তার প্রমাণ রয়েছে।

তাদের নতুন নির্দেশনায় আরো জানানো হয়েছে, আর যাদের বয়স ৬ থেকে ১১ বছরের মধ্যে তাদের পরিস্থিতি ও ঝুঁকি অনুযায়ী মাস্ক পরা উচিত। তবে ৫ কিংবা তার কম বয়সীদের মাস্ক না পরলেও চলবে।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক এবং শিশু তহবিল বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা দুটি জানিয়েছে যেসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব মানা যায় না সেসব স্থানে ১২ বছরের বেশি বয়সী ছেলে-মেয়েদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা উচিত। এ ছাড়া যেখানে গেলে করোনার সংক্রমণ হওয়ার শঙ্কা থাকে কিংবা সংক্রমিত এলাকায় গেলে অবশ্যই তাদের মাস্ক পরা উচিত।

আর ৬ থেকে ১১ বছর বয়সীদের মাস্ক পরার ক্ষেত্রে বড়দের তদারকি করতে বলা হয়েছে। কারণ, অনেক শিশু মাস্ক পরে অস্বস্তিবোধ করতে পারে। তারপরও ঝুঁকি বিবেচনায় বড়দের তত্ত্বাবধানে শিশুদের মাস্ক পরানো উচিত এবং অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

তবে যাদের বয়স ৫ কিংবা তার কম তাদের নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে মাস্ক পরার দরকার নেই বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফ।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ২ কোটি ৩৩ লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে, এর মধ্যে মারা গেছে ৮ লাখ মানুষ। যার মধ্যে রেকর্ড সংখ্যাক আক্রান্ত এবং মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল এবং ভারতে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই সংখ্যাটি আরও অনেক বেশি। কারণ অনেক দেশে অপর্যাপ্ত করোনা পরীক্ষা ও অসম্পূর্ণ চিকিৎসার অভাবে ভাইরাস আক্রান্ত এবং মৃত্যের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করা হয়।

সাউথ কোরিয়া, ইইউভুক্ত দেশ এবং লেবাননের মতো বৈচিত্র্যময় দেশগুলোতে এই সংখ্যা আবারও বাড়ছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: