বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
৪২ লাখ টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ দুবাইগামী যাত্রী আটক উখিয়ার মরিচ্যায় সড়ক অবরোধ করে দুই চেয়ারম্যানের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ কক্সবাজারের সকল থানা থাকবে দালাল মুক্ত : সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসপি হাসানুজ্জামান মেরিন ড্রাইভের পাশে শতাধিক দোকানের মালিক রোহিঙ্গারা : চালাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা দেশে আইনের শাসন বলতে কিছুই নেই- সাবেক সংসদ শাহজাহান চৌধুরী ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে আকবরদের ক্যাম্প ফের শুরু মঙ্গলবার হাজী সেলিমের ছেলের বাসায় ভয়ংকর টর্চার সেল নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর : রিমান্ডে হাজী সেলিমের গাড়িচালক হাজী সেলিমের বা‌ড়ি থে‌কে অস্ত্র, মদ-বিয়ার ও ওয়া‌কিট‌কি উদ্ধার

বন্দুকযুদ্ধ: চমকে দিলো উখিয়ার ইয়াবা কারবারিদের!

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৬৬৩ বার
আপডেট বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন

টেকনাফ উপজেলায় একের পর এক ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও উখিয়ায় দুই/একটি ছাড়া তেমন কোন নজির নেই। হঠাৎ উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যসহ একদিনের মাথায় ৪ জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার খবরে চমকে দিলো পুরো উপজেলার ইয়াবা ব্যবসায়ীকে। মুহুর্তের মধ্যে অনেক চিহ্নিত ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী আত্মগোপনে চলে যায় বলে সুত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, করোনা কালীন সময়ে লকডাউন বলবৎ থাকায় প্রশাসন তা বাস্তবায়নে দিন-রাত পরিশ্রম করে গেছেন। সারাদেশের ন্যায় লকডাউন কিছুটা শিথিল হলে ব্যাপক হারে বেড়ে যায় ইয়াবা ও মাদক পাচার। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক মাদক পাচারকারি সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠে। ইতিমধ্যে সীমান্তের বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ লাখ ২০হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

এসময় বিজিবি’র হাতে ৬ জন পাচারকারি আটক হয়। একই সাথে রোহিঙ্গাসহ ৭ জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন-তুমব্রু কোনারপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা মৃত জুলুর মুল্লুকের ছেলে নুর আলম (৪৫), উখিয়ার বালু্খালী ১নং ক্যাম্পের গুরা মিয়ার ছেলে মোঃ হামিদ (২৫), কুতুপালং ২ নং ক্যাম্পের ছৈয়দ হোসেনের ছেলে নাজির হোসেন(২৫)। কুতুপালং এলাকার ইউপি সদস্য বখতিয়ার আহমদ(৫৫) ও কুতুপালং লম্বাশিয়া গ্রামের আবু তাহের (৩৪)। সর্বশেষ শুক্রবার দিবাগত রাতে উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত ছৈয়দ আহমদের পুত্র আবদুস সালাম (৩৫) এবং একই ক্যাম্পের হাবিব উল্লাহ’র পুত্র ফেরদৌস (৩০) নিহত হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, এক সময় মিয়ানমারে যারা গডফাদার হিসেবে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসা জড়িত ছিল তারা মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে ২০১৭ সালের পরবর্তী সময়ে এ দেশে পালিয়ে এসে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের সাথে আগে থেকে ইয়াবা পাচারে লিপ্ত থাকা এখানকার গডফাদাররেরা পূনরায় সংযোগ স্থাপন করে আবারো পুরোদমে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসা করে আসছে।

তাদের অভিমত, ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি, মোবাইল সার্ভিস বন্ধের পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারী বাড়ানো দরকার বলে মনে তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: